বিশ্ব রাজনীতির উত্তপ্ত প্রেক্ষাপটেও FIFA World Cup 2026-এর মঞ্চে কোনও ভাটা পড়ছে না। FIFA প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে আর কোনও সংশয় নেই। যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের গত ফেব্রুয়ারি ২৮ থেকে শুরু হওয়া সংঘাতের জেরে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা এখন অতীত। সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে, বুধবার (১৫ এপ্রিল, ২০২৬) CNBC-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফিফা প্রেসিডেন্ট ইনফ্যান্তিনো বলেন, “ইরান অবশ্যই আসছে। আমরা আশা করি, তখন পরিস্থিতি শান্ত হবে, সেটাই সবার জন্য ভালো হবে। তারা যোগ্যতা অর্জন করেছে, খেলোয়াড়রাও খেলতে চায় এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে প্রস্তুত।”
২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে আমেরিকা, মেক্সিকো এবং কানাডা—এই তিন দেশের যৌথ আয়োজনে। টুর্নামেন্ট শুরু হবে ১১ জুন। ইরানের ম্যাচগুলো আমেরিকায় হওয়ার কথা, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
মার্কিন প্রস্তাব নিয়ে ইরানে পৌঁছলেন মুনির, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় কি শেষ হবে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত?
ফিফা সভাপতির মতে, “খেলাধুলা রাজনীতির বাইরে থাকা উচিত।” তিনি আরও বলেন, “বিশ্বে যদি কেউ সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে চায়, তাহলে আমরা সেই দায়িত্ব পালন করছি।” তার এই মন্তব্যে বোঝা যাচ্ছে, বিশ্বকাপ শুধুমাত্র ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, বরং ঐক্যের একটি বড় প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
এই ঘোষণায় স্বস্তি ফিরেছে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে। যুদ্ধের উত্তেজনা থাকলেও বিশ্বকাপের মঞ্চে ইরানের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ায় এখন সকলের নজর ২০২৬-এর বিশ্বকাপের দিকে, যেখানে রাজনীতির উত্তাপ পেরিয়ে মাঠে লড়বে বিশ্বের সেরা দলগুলো। মাঠেই নির্ধারিত হবে সেরা কে।

