টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে কার্যত নিখুঁত রিহার্সাল সেরে ফেলল টিম ইন্ডিয়া। নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে দুই ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ জিতে নিল সূর্যকুমার যাদবের দল। গুয়াহাটির বর্ষাপারা স্টেডিয়ামে তৃতীয় ম্যাচে ভারত দেখাল সম্পূর্ণ আধিপত্য— মাত্র ১০ ওভারে আট উইকেটে জিতে ম্যাচ শেষ করে দিল মেন ইন ব্লু-রা।
টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক সূর্যকুমার। এক ম্যাচ বিশ্রামের পর দলে ফেরেন জশপ্রীত বুমরা ও রবি বিষ্ণোই। এই দু’জনকে সামনে রেখে শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় কিউয়িরা। মাত্র ১৭ রানে তিন উইকেট হারিয়ে কার্যত ভেঙে পড়ে নিউ জিল্যান্ডের টপ অর্ডার। গ্লেন ফিলিপস ও মার্ক চ্যাপম্যান কিছুটা লড়াই করেন। ফিলিপস করেন সর্বোচ্চ ৪৮ রান, চ্যাপম্যান ৩২। তবে ভারতের আঁটসাঁট বোলিংয়ের সামনে বড় স্কোর তুলতে পারেনি তারা। ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৫৩ রানেই থামে নিউ জিল্যান্ড।
Simply excellent, with 10 overs to spare! 👌
— BCCI (@BCCI) January 25, 2026
A whirlwind 8⃣-wicket victory for #TeamIndia in Guwahati 🥳
They clinch the #INDvNZ T20I series with an unassailable lead of 3⃣-0⃣ 👏
Scorecard ▶️ https://t.co/YzRfqi0li2@IDFCFIRSTBank pic.twitter.com/zgp3FIz2o4
বোলিংয়ে বুমরা ছিলেন অনবদ্য— ৩ উইকেট নিয়ে মাত্র ১৭ রান খরচ করেন তিনি। বিষ্ণোই ও হার্দিক পান্ডিয়া নেন দুটি করে উইকেট, হর্ষিত রানা নেন একটি। এই লক্ষ্য বর্তমান ভারতের ব্যাটিং লাইন আপের কাছে যে সহজ হবে, তা আন্দাজ করাই যাচ্ছিল।
রান তাড়া করতে নেমে প্রথম বলেই সঞ্জু স্যামসন আউট হলেও তাতে বিন্দুমাত্র চাপে পড়েনি ভারত। ঈশান কিষান ১৩ বলে ২৮ করে আউট হন। এরপর শুরু হয় অভিষেক শর্মা ও সূর্যকুমার যাদবের তাণ্ডব। অভিষেক মাত্র ২০ বলে ৬৮ রান করেন— সাতটি চার ও পাঁচটি ছক্কায় বিধ্বংসী ইনিংস। একটিও ডট বল খেলেননি তিনি।
অন্য প্রান্তে পরপর দ্বিতীয় ম্যাচেও হাফসেঞ্চুরি করেন অধিনায়ক সূর্যকুমার। ২৬ বলে অপরাজিত ৫৭ রান করে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন তিনি। অভিষেক-সূর্যের ১০২ রানের জুটিতেই মাত্র ১০ ওভারে ম্যাচ শেষ।
এই জয়ের সঙ্গে সঙ্গেই দুই ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ জিতে নেয় ভারত। বিশ্বকাপের ঠিক আগে ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই এমন দাপট কোচ গম্ভীর ও সমর্থকদের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে দিল।

