Site icon Hindustan News Point

হ্যান্ডশেক উপেক্ষার মাশুল! ক্ষোভে এমবাপেকে বল ছুড়ে বিতর্কে প্যারাগুয়ে গোলরক্ষক

Kylian Mbappe

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ফুটবলের সৌন্দর্যের চেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এল উত্তেজনা, সংঘর্ষ আর (Kylian Mbappe) কিলিয়ান এমবাপের ঠান্ডা মাথার জবাব। প্যারাগুয়ের রক্ষণাত্মক ও শারীরিক ফুটবলের বিরুদ্ধে লড়াই করে ১-০ ব্যবধানে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেল ফ্রান্স। তবে ম্যাচ শেষে এমবাপে ও প্যারাগুয়ে গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিলের ঘটনাই এখন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয়।

ফিলাডেলফিয়ার প্রচণ্ড গরমের মধ্যে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই এমবাপেকে লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে প্যারাগুয়ে। একের পর এক ফাউল, ধাক্কাধাক্কি এবং মানসিক চাপ তৈরি করার চেষ্টা সত্ত্বেও ফ্রান্স অধিনায়ক (Kylian Mbappe) নিজেকে সংযত রাখেন। ম্যাচের ৭০ মিনিটে VAR পর্যালোচনার পর বক্সের মধ্যে দিয়েগো গোমেজের ফাউলের জন্য পেনাল্টি পায় ফ্রান্স। স্পট-কিক থেকে নির্ভুল শটে জয়ের একমাত্র গোলটি করেন এমবাপে।

এই গোলটি ছিল চলতি বিশ্বকাপে (Kylian Mbappe) এমবাপের সপ্তম গোল, যার ফলে তিনি আবারও গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শীর্ষে উঠে আসেন। একই সঙ্গে বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটি তাঁর ১৯তম গোল, যা তাকে লিওনেল মেসির সর্বকালের বিশ্বকাপ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করার মাত্র এক ধাপ কাছে নিয়ে গেল।

তবে ম্যাচের আসল নাটক শুরু হয় শেষ বাঁশি বাজার পর। খেলোয়াড়রা যখন একে অপরের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছিলেন, তখন প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল এমবাপের দিকে হাত বাড়ান। কিন্তু ফরাসি অধিনায়ক (Kylian Mbappe) সেই হ্যান্ডশেক উপেক্ষা করে সরাসরি গ্যালারির দিকে গিয়ে সমর্থকদের সঙ্গে উদযাপন শুরু করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে গিল ম্যাচের বলটি এমবাপের পিঠে ছুড়ে মারেন। যদিও এমবাপে কোনও প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে সোজা চলে যান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দলের ফুটবলার এবং কোচিং স্টাফদের মধ্যে সাময়িক উত্তেজনাও তৈরি হয়।

ম্যাচ শেষে গিল নিজের আচরণের ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, “আমি ওকে অভিনন্দন জানাতে হাত বাড়িয়েছিলাম। কিন্তু ও আমাকে গুরুত্ব দেয়নি। মুহূর্তের উত্তেজনায় আমি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলাম। পরে অবশ্য শান্ত হয়ে যাই।”

অন্যদিকে (Kylian Mbappe) এমবাপে ম্যাচের পর স্পষ্ট ভাষায় জানান, “আমরা জানতাম কী ধরনের ম্যাচ হতে চলেছে। আমরা শুধু সুন্দর ফুটবল খেলতে জানি না, প্রয়োজনে নোংরা লড়াইও করতে পারি। ওরা ভেবেছিল আমরা যেন টাক্সেডো পরে মাঠে নামব। কিন্তু আমরা দেখিয়ে দিয়েছি, কঠিন ফুটবল খেলতেও আমরা প্রস্তুত।”

টানা চতুর্থ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছনো ফ্রান্স শুক্রবার মুখোমুখি হবে মরক্কোর। ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মরক্কোকে হারিয়েছিল লে ব্লু-রা। এবারও সেই স্মৃতি পুনরাবৃত্তি করতে চাইবেন এমবাপেরা। তবে প্যারাগুয়ের বিরুদ্ধে এই উত্তপ্ত লড়াই প্রমাণ করে দিল, শুধু দক্ষতা নয়, মানসিক দৃঢ়তাতেও এবার বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম দাবিদার ফ্রান্স।

এমবাপের টোটকায় অজি বধ? ভাইরাল মিশরের প্লেয়ারদের ভিডিয়ো


Exit mobile version