সন্তোষ ট্রফিতে জয়ের হ্যাটট্রিকের পর অবশেষে থামল বাংলার জয়ের যাত্রা (Santosh Trophy)। চতুর্থ ম্যাচে তামিলনাড়ুর বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র করল সঞ্জয় সেনের দল। তবে এই ড্র-ও যে ইতিবাচক, তা মানছেন কোচ থেকে শুরু করে খেলোয়াড়রা। কারণ ব্যস্ত ক্রীড়াসূচি, যাতায়াতের ক্লান্তি ও সম্পূর্ণ নতুন মাঠে নেমেও অপরাজিত থাকার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পেরেছে বাংলা।
আগের তিনটি ম্যাচ ঢাকুয়াখানা স্টেডিয়ামে খেলে টানা জয় পেয়েছিল বঙ্গ ব্রিগেড। বুধবার একদিনের বিশ্রাম নিয়ে অসমের শিলাপাথর ফুটবল স্টেডিয়ামে তামিলনাড়ুর বিরুদ্ধে নামা ছিল সম্পূর্ণ নতুন চ্যালেঞ্জ। নিয়মরক্ষার ম্যাচ হলেও প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নিতে চাননি সঞ্জয় সেন। সেই কারণেই প্রথম একাদশে সাতটি পরিবর্তন করেন তিনি। নতুন পরিবেশে কার্যত নতুন দল নিয়েই খেলতে নামে বাংলা।
প্রথম ইংলিশ ব্যাটার হিসেবে নজির, ইংল্যান্ডকে জিতিয়ে রেকর্ডবুকে জো রুট
প্রথমার্ধে দুই দলই আক্রমণ ও প্রতি-আক্রমণে ব্যস্ত থাকলেও গোলের দেখা মেলেনি। বিরতির পরেই ম্যাচে উত্তেজনা বাড়ে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই তামিলনাড়ু এগিয়ে যায়। নন্দাকুমারের দূরপাল্লার শটে গোল হজম করে চাপে পড়ে যায় বাংলা। সেই সময় একের পর এক বদল এনে দলের গতি বাড়ান সঞ্জয় সেন। আক্রমণের ধার বাড়াতে পাঁচটি পরিবর্তন করেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত সেই কৌশলই কাজে লাগে। ম্যাচের ৮০ মিনিটে নরহরি শ্রেষ্ঠার পাস থেকে সুজিত সাঁধু গোল করে সমতা ফেরান। টুর্নামেন্টে টানা তিন ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেন নরহরি—একটি গোল ও দু’টি গোলের বল তাঁর ঝুলিতে। ৮৮ মিনিটে নরহরির ভলি অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট না হলে জয়ের ধারাবাহিকতাও বজায় রাখতে পারত বাংলা। শেষ দিকে তামিলনাড়ুও একটি সুযোগ পেয়েছিল, কিন্তু গোল হয়নি।
এই ড্রয়ের ফলে চার ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষেই রইল বাংলা। তামিলনাড়ু রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে ৭ পয়েন্ট নিয়ে। আগামী ৩০ জানুয়ারি গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বাংলার প্রতিপক্ষ অসম।

