নাগাল্যান্ডকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে শুরু করার পরে শুক্রবার বাংলার প্রতিপক্ষ উত্তরাখণ্ড। সরস্বতী পুজোর দিনে এই লড়াইয়েও জিততে মরিয়া বাংলা। তাই বিশ্রামের অবকাশ নেই। ম্যাচ খেলে এসে পরের দিনই অনুশীলনে নেমে পড়ল বাংলা। কিন্তু সেখানেও চরম অব্যবস্থা। ভালো মাঠের ব্যবস্থা আগে থেকেই ছিল না। কোনও ভাবে একটা মাঠে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। কিন্তু সেখানেও বিপত্তি।
পোশাক পাল্টানোর মতো কোনও ঘর নেই সেই মাঠে। সামনের একটি ক্লাবঘর চলে গিয়েছে স্থানীয় অ্যাথলিটদের দখলে। অগত্যা খোলা মাঠে পার্কের পাশেই একটা কর্নারকে চেঞ্জিং রুম হিসেবে ব্যবহার করতে হলো। এই অবস্থাতেই প্রায় ঘন্টা খানেক অনুশীলন চলল। তবে ছেলেদের উপরে খুব বেশি জোর দিলেন না কোচ। বেশিরভাগ সময়টাই তারা শারীরিক কসরত করে পাঠালেন। নাগাল্যান্ড ম্যাচে দলে ছিলেন না বিজয় মুর্মু। সর্বভারীতয় ফুটবল ফেডারেশনের টেকনিক্যাল গাফিলতির কারণে তার রেজিস্ট্রেশনে সমস্যা হয়েছিল। সেই সমস্যা অনেকটাই মিটে গিয়েছে। আশা করা যায় উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে না হলেও পরের ম্যাচগুলোতে তাকে দেখা যেতে পারে।
চ্যাম্পিয়নের মতোই শুরু, সন্তোষ ট্রফিতে নাগাল্যান্ডকে ৪-০ গোলে ওড়াল বাংলা
নাগাল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলার সময় চোট পেয়েছিলেন উত্তম হাঁসদা। তাই তিনি এ দিন অনুশীলন করতে পারেননি। দলের ফিজ়িয়ো ভাস্কর সেনগুপ্তর সঙ্গেই তাকে সাইডলাইনে দেখা গেল। প্রথমে মাঠজুড়ে তারা হাঁটলেন। এরপর তাকে হালকা ফিজিকাল ট্রেনিং করান। উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে তিনি সম্ভবত নেই। তবে কোচ সঞ্জয় সেন বলেছেন, “কে আছে কে নেই, তা নিয়ে ভাবছি না। প্রথম ম্যা চ এখন অতীত। আমাদের এখন উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে ম্যালচে ফোকাস করতে হবে।”

