ভারতীয় ফুটবলজগতের এক আবেগঘন অধ্যায়। টুটু বসুর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ শুধু মোহনবাগান নয়, গোটা ময়দান। আর সেই আবেগই যেন ধরা পড়ল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Sourav Ganguly) গলায়। তাঁর গলায় ছিল স্মৃতি, শ্রদ্ধা আর এক গভীর ব্যক্তিগত শূন্যতার অনুভব।
সৌরভ (Sourav Ganguly) বলেন, “মোহনবাগান ক্লাব মানেই টুটু বসু। ফুটবলে মোহনবাগানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে টুটুদার ভূমিকা ছিল অতুলনীয়।” শুধু একজন প্রশাসক নন, টুটু বসু ছিলেন ময়দানের আবেগের আরেক নাম। সময়ের সঙ্গে অনেকেই ধীরে ধীরে চলে যান, কিন্তু টুটুদা শেষদিন পর্যন্ত ছিলেন ক্লাবের সঙ্গে, মানুষের সঙ্গে। ওনার আত্মার শান্তি কামনা করি।
সৌরভের (Sourav Ganguly) কথায় বারবার ফিরে আসে পুরনো দিনের ছবি। মোহনবাগানের হয়ে খেলা, ফুটবল দেখা, ক্লাবের অন্দরমহলের অসংখ্য মুহূর্ত— সবকিছুর সঙ্গেই জড়িয়ে ছিলেন টুটু বসু। (Sourav Ganguly) তিনি বলেন, “ব্যক্তিগতভাবে চিনতাম। অনেক স্মৃতি আছে। সারাজীবন কেউ থাকেন না… পল্টুদা, টুটুদা, চুনি গোস্বামী— একে একে সবাই চলে যাচ্ছেন।”
এই বিদায় যেন শুধু একজন প্রাক্তন সভাপতির নয়, এক যুগের বিদায়। যে যুগে ক্লাব মানে ছিল সম্পর্ক, আবেগ, আত্মীয়তা। যেখানে পরিচালক, খেলোয়াড়, সমর্থক— সবাই মিলে তৈরি করত এক পরিবারের গল্প।
আজ ময়দানের বাতাস ভারী। সবুজ-মেরুন আবেগে মিশে আছে একটাই অনুভূতি— “মোহনবাগান আর টুটু বসু, যেন একই নাম।” তাঁর অবদান, তাঁর ভালোবাসা, তাঁর উপস্থিতি চিরকাল থেকে যাবে ক্লাবের ইতিহাসে, সমর্থকদের হৃদয়ে।

