Site icon Hindustan News Point

কোদাল হাতে নামলেন বিধায়কেরা, ১০০ নয়, শুরু হলো ১২৫ দিনের কাজ

100 days work

হাতে কোদাল, পাশে জব কার্ডধারী শ্রমিকরা। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ১০০ দিনের কাজ ফের চালুর সূচনালগ্নে একেবারে মাঠে নেমে কাজের বার্তা দিলেন নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক সুকান্ত বিশ্বাস। ২০২২ সালের মার্চ মাস থেকে বিভিন্ন অভিযোগ ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে পশ্চিমবঙ্গে এই প্রকল্পের কাজ বন্ধ ছিল। অবশেষে পালা বদেলর পর কেন্দ্রের অনুমোদনে গত ৯ জুন থেকে ফের এই প্রকল্প চালু হয়েছে। তবে নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের শিবনিবাস পঞ্চায়েত এলাকায় ১০০ দিনের বদলে শুরু হলো ১২৫ দিনের কাজ (100 days work)। সোমবার কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের শিবনিবাসে একটি পুকুর কেটে এই প্রকল্পের শুভ সূচনা করলেন কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক সুকান্ত বিশ্বাস এবং BDO। ১২৫ দিনের কাজ শুরু হওয়াতে খুশি প্রান্তিক উপভোক্তারা।

বিধায়ক সুকান্ত বিশ্বাস বলেন, “সাংগঠনিকভাবে আজ নদিয়া দক্ষিণের প্রথম কাজ শুরু হলো। অল্প সময়ের মধ্যে আমরা জমি তৈরি করে কাজ শুরু করতে পেরেছি। এলাকার অনেক মানুষ এই কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। এতে প্রান্তিকস্তরের মানুষের অনেক উপকার হবে। এই প্রকল্প আগে ১০০ দিন ছিল, এখন ১২৫ দিন করা হয়েছে। এতে এলাকায় অর্থনৈতিক বিকাশ ঘটবে।”

অন্যদিকে পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসাতেও ধরা পড়ল একই ছবি। কাঁকসায় শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে মাটি কেটে শুরু হলো ১০০ দিনের কাজ (100 days work)। কোদাল হাতে মাটি কেটে, ঝুড়ি করে মাটি ফেলতে দেখা যায় গলসির বিধায়ক রাজু পাত্রকে। সোমবার সকালে পশ্চিম বর্ধমান জেলার বিদবিহার গ্রাম পঞ্চায়েতের ফুলঝোড় এলাকায় এই কর্মসূচির সূচনা হয়। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় ১০০ দিনের কাজ শুরু হওয়ায় খুশির হাওয়া বইতে শুরু করেছে এলাকার শ্রমজীবী ও প্রান্তিক মানুষের মধ্যে।

বিধায়ক রাজু পাত্র বলেন, “আমি গ্রামের ছেলে। মাটি কাটা আমার কাছে নতুন কিছু নয়। তাই মাটি তো কাটবই। প্রয়োজন হলে প্রতিদিন এখানে এসে ১০০ দিনের কাজের শ্রমিকদের সঙ্গে কাজ করব। এতদিন দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে এই প্রকল্পের কাজ বন্ধ ছিল। এখন নতুনভাবে উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে। বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের পর একের পর এক উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। সেই জন্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানাই। আগামী দিনে উন্নয়নের গতি আরও বাড়াতে নতুন নতুন প্রকল্প আনা হবে এবং গ্রামীণ এলাকার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করা হবে।”


Exit mobile version