Site icon Hindustan News Point

অভিষেকের বাসভবনে হামলা! বাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছোড়ার অভিযোগ, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন সাংসদের

Abhishek Banerjee

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে হামলা। তাঁর বাড়িতে পাথর ছুড়ে হামলার অভিযোগ তৃণমূল সাংসদের। সমাজমাধ্যমে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে তোপ বিজেপিকে। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়েও প্রশ্ন তুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (Abhishek Banerjee)।

অভিষেকের পোস্ট করা ফুটেজে দেখা গিয়েছে, মাথায় হেলমেট ও সবুজ রঙের জামা পরে আসা এক ব্যক্তি বাইকে এসে এক ব্যক্তি বাড়িক সামনে এসে দাঁড়ান। বাইক থেকে নেমে রাস্তার ধারে পড়ে থাকা ইট ও পাথর তুলে ওই বাড়ির দিকে সজোড়ে ছুড়ে মারেন। ইট ও পাথরটি গড়িয়ে নিচে পড়লে, সেটিকে তুলে ফের ছোড়েন। তৃতীয়বারও ইট ও পাথরটি গড়িয়ে মাটিতে পড়ে। বাইকের সামনে দাঁড়িয়ে তা দেখেন। এরপর বাইক ঘুরিয়ে যেদিক থেকে এসেছিলেন, সেদিকেই চলে যান। এরপরেই বাড়ির গেট খুলে দু’জন নিরাপত্তাকর্মীকে বাইরে আসতে দেখা যায়। যদিও ততক্ষণে ওই ব্যক্তি সেখান থেকে চম্পট দেন (Abhishek Banerjee)।

এই ঘটনার পর রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সমাজমাধ্যম এক্স হ্যান্ডেল তিনি দাবি করেন, মঙ্গলবার সকালে এক ব্যক্তি মোটরবাইকে এসে তাঁর বাড়ি লক্ষ্য করে একাধিকবার পাথর বা ইট ছুড়ে মারেন। এই হামলায় বাড়ির একতলার জানালার কাচ ভেঙেছে বলে দাবি করেন সাংসদ। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অভিষেক। সেসময় পুলিশ কোথায় ছিল? কীভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তি নির্বিঘ্নে ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যেতে পারলেন।

তিনি সমাজমাধ্যমের পোস্টে লেখেন, “আজ সকালে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি আমার পরিবারের বাসভবনের বাইরে আসে। নিজের বাইকটি থামায় এবং বারবার আমার বাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছুড়তে থাকে। এর ফলে প্রথম তলার জানলার কাচগুলো ভেঙে যায়। এটি শুধুমাত্র আইনশৃঙ্খলার অবনতি নয়। এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক হিংসা। যা খুবই বিপজ্জনক।”

পাশাপাশি প্রশ্ন তোলেন, বিধানসভায় পাশ হওয়া পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অব অ্যান্টি সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটিজ বিল নিয়ে। বিলটি কি বিজেপি-আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধেও সমানভাবে কার্যকর করা হবে?

‘আসল’, ‘নকল’ তৃণমূলের দুই শিবিরকেই ২১ জুলাইয়ে ‘না’ পুলিশের

তিনি লেখেন, “বিজেপির গুন্ডারাজের অধীনে বাংলা হিংসার সম্পূর্ণ ও স্বাভাবিক রূপ প্রত্যক্ষ করছে। এটাই আজকের বাংলার ভয়াবহ বাস্তবতা। এমন একটি শাসনব্যবস্থা যা হিংসাকে স্বাভাবিক করে তুলেছে, গুন্ডাদের ক্ষমতা দিয়েছে। এমন এক পরিবেশ তৈরি করেছে যেখানে ব্যক্তিরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে অপরাধমূলক কাজ করছে।”


Exit mobile version