Site icon Hindustan News Point

‘চন্দ্রনাথ খুনে দেবরাজ যুক্ত থাকতে পারে’, বিস্ফোরক মন্তব্য অর্জুন সিং-এর

Arjun Singh

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় ফের চাঞ্চল্যকর দাবি অর্জুন সিং (Arjun Singh)-এর। এবার এই ঘটনায় তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তীর নাম জড়িয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন নোয়াপাড়ার বিজেপি বিধায়ক। বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একের পর এক তীব্র আক্রমণ শানান তিনি।

অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh) দাবি, চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় দেবরাজ চক্রবর্তী জড়িত থাকতে পারেন। তাঁর কথায়, “দেবরাজের একটু ক্রিমিনালদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভ্যাস আছে। ইদানীং ওর আর সুমিতের অপরাধীদের সঙ্গে ওঠাবসা এবং যোগাযোগ বাড়ানোর ইচ্ছে হয়েছিল।” শুধু তাই নয়, এই ধরনের ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো উচিত বলেও মন্তব্য করেন বিজেপি বিধায়ক। তাঁর দাবি, পুলিশ এদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে অর্জুন সিং (Arjun Singh) আরও অভিযোগ করেন, দেবরাজ ও সুমিত দু’জনেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ। তাঁর বক্তব্য, “এদের ক্রিমিনালদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার খুব শখ আছে।” এখানেই থেমে না থেকে আরও বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন তিনি। দাবি করেন, দেবরাজ চক্রবর্তীর স্ত্রী নিয়মিত বিদেশ যাতায়াত করতেন এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের টাকা বিদেশে পাচারের কাজ করতেন। যদিও এই অভিযোগের পক্ষে কোনও প্রমাণ তিনি প্রকাশ্যে দেখাননি।

গভীর রাতে নরেন্দ্রপুরে বিজেপি নেতার উপর হামলা, ভর্তি SSKM-এ

ঘাসফুল শিবিরকেও এদিন কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন অর্জুন সিং। তাঁর দাবি, “তৃণমূল এতদিন পুলিশের ভরসাতেই চলেছে। সরকারে ছিল বলেই দলটা টিকে ছিল। এখন ধীরে ধীরে দলটা ভেঙে পড়বে।” পাশাপাশি ‘পুষ্পা’ সিনেমার জনপ্রিয় সংলাপ টেনে জাহাঙ্গির খানকেও কটাক্ষ করেন তিনি। ইতিমধ্যে ফলতায় পুনর্নির্বাচনের আগেই প্রার্থীর তালিকা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূলের দাপুটে নেতা জাহাঙ্গির খান। এদিন অর্জুন সিং তাঁর কথার সূত্র ধরেই বলেন, “পুষ্পা বলেছিল ঝুকেগা নেহি, কিন্তু পুষ্পা ঝুঁকে গেল।”

এদিন তৃণমূল নেতৃত্বকেও সরাসরি নিশানা করেন বিজেপি বিধায়ক। তাঁর বক্তব্য, “পুষ্পাকে বহিষ্কার করে কোনও লাভ হবে না। সবার আগে মমতা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহিষ্কার করা উচিত। এরা এত দুর্নীতি করেছে যে সিপিএমের থেকেও নীচে নেমে গেছে।”


Exit mobile version