গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রভাব এবার সরাসরি পড়তে শুরু করেছে শহরতলির অটো পরিষেবায়। যদিও সরকারিভাবে এখনও অটোভাড়া বাড়ানোর কোনও ঘোষণা হয়নি। তবু বাস্তবে অনেক রুটেই যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠছে। ফলে সমস্যায় পড়েছেন নিত্যদিন অটোয় যাতায়াত করা সাধারণ মানুষজন।
তারই ছবি ধরা পড়ল দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন অটো রুটে। গড়িয়া–বারুইপুর, সোনারপুর–গড়িয়া, বারুইপুর–জুলপিয়া এবং বারুইপুর–দক্ষিণ বারাসত রুটে যাত্রীদের কাছ থেকে আগের তুলনায় বেশি ভাড়া দাবি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। কোথাও ৫ টাকা, আবার কোথাও ১০ টাকা বা তারও বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।Auto Fare Increased
চালকদের কথায়, খরচ বেড়ে যাওয়ায় অনেক রুটে আগের মতো অটো নামানোও সম্ভব হচ্ছে না। ফলে কিছু কিছু রুটে অটোর সংখ্যাও কমে গেছে। শহরের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রুটে ইতিমধ্যেই বাড়তি ভাড়া নেওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে।
অটোচালকদের একাংশের দাবি, সম্প্রতি গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদের খরচ অনেকটাই বেড়েছে। শুধু দামই নয়, পাম্পে গিয়েও অনেক সময় পর্যাপ্ত গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ। সেই কারণে অনেক চালককে বাধ্য হয়ে অন্য জায়গা থেকে, বিশেষ করে কাটা গ্যাসের দোকান থেকে বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে। এতে প্রতিদিনের খরচ অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে। সেই অতিরিক্ত খরচ সামাল দিতেই যাত্রীদের কাছ থেকে কিছুটা বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে বলে জানাচ্ছেন চালকদের একাংশ।
হঠাৎ করে এই ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন নিত্যযাত্রীরা। প্রতিদিন অফিস, স্কুল বা অন্যান্য কাজে যাতায়াতের জন্য অনেককেই বাড়তি টাকা খরচ করতে হচ্ছে। যাত্রীদের অভিযোগ, সরকারিভাবে ভাড়া না বাড়লেও বাস্তবে বাড়তি ভাড়া দিতে বাধ্য করা হচ্ছে তাদের।
যদিও অটো ইউনিয়নগুলির দাবি, তারা এই ধরনের অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়াকে সমর্থন করে না। তবুও বাস্তবে অনেক রুটে যাত্রীদের বেশি ভাড়াই দিতে হচ্ছে। কলকাতা ও শহরতলির বহু মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের অন্যতম ভরসা অটো। সেই অটোর ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের উপর বাড়তি আর্থিক চাপ পড়ছে বলেই মনে করছেন অনেকে। এদিকে এই বিষয়টি নিয়ে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে তেমন কোনও নজরদারি শুরু হয়নি বলেও অভিযোগ উঠছে। Auto Fare Increased

