Site icon Hindustan News Point

Arms and Bombs Seized: বকুলতলায় বেআইনি অস্ত্র কারবারের হদিস, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র ও ১০ রাউন্ড কার্তুজ

Arms and Bombs Seized

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বকুলতলায় বেআইনি অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গোপন সূত্রে খবরের ভিত্তিতে শুক্রবার গভীর রাতে হানারবাটি এলাকায় অভিযান চালায় বকুলতলা থানার পুলিশ। সেই অভিযানে খইরুল গাজি নামে এক যুবকের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় আগ্নেয়াস্ত্র, একাধিক কার্তুজ এবং বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরির মশলা। ঘটনায় এলাকা জুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। (Arms and Bombs Seized)

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম খইরুল গাজি (২৮)। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই তার গতিবিধির উপর নজর রাখছিল তদন্তকারীরা। শুক্রবার রাতে নির্দিষ্ট তথ্য হাতে পাওয়ার পরই পুলিশ হানারবাটি এলাকায় পৌঁছে তার বাড়িতে তল্লাশি শুরু করে। বাড়ির বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালানোর সময় উদ্ধার হয় একটি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০ রাউন্ড লাইভ কার্তুজ এবং প্রায় ২ কেজি বোমা তৈরির মশলা। উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক সামগ্রী দেখে তদন্তকারীদের অনুমান, শুধুমাত্র ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য নয়, এর পিছনে বড় কোনও অপরাধচক্রের যোগ থাকতে পারে। (Arms and Bombs Seized)

অভিযানের পর ঘটনাস্থল থেকেই খইরুল গাজিকে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেফতার করে বকুলতলা থানার পুলিশ। শনিবার ধৃতকে বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হবে। পুলিশ আদালতের কাছে ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানাবে। তদন্তকারীদের মতে, জেরায় উঠে আসতে পারে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, কী উদ্দেশ্যে ওই যুবক বাড়িতে এত পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও বিস্ফোরক তৈরির সামগ্রী মজুত করে রেখেছিল। তদন্তকারীদের একাংশের অনুমান, এলাকায় কোনও নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না অথবা বেআইনি অস্ত্র পাচারচক্রের সঙ্গে তার যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রটি কোথা থেকে আনা হয়েছে, কার কাছ থেকে কার্তুজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং বোমার মশলা অন্য কোথাও সরবরাহ করার পরিকল্পনা ছিল কি না, সেই দিকেও নজর দিচ্ছে পুলিশ।

ঘটনার পর থেকেই হানারবাটি এলাকায় আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, এলাকায় এমন বিপজ্জনক সামগ্রী মজুত থাকার খবর প্রকাশ্যে আসতেই তাঁরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, এতদিন কীভাবে গোপনে এই অস্ত্র ও বিস্ফোরক বাড়িতে রাখা ছিল। (Arms and Bombs Seized)

পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বকুলতলা থানার পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতকে জেরা করে এই বেআইনি কারবারের সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা জানার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি জেলার অন্য এলাকাতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

বাইকের পিছনে লরির ধাক্কা, নদিয়ায় মৃত একই পরিবারের ৩


Exit mobile version