দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে মিড-ডে মিলের খাবার নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে। মঙ্গলবার সকালে ওরঞ্চ প্রাইমারি স্কুল সংলগ্ন ২২৪ নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই শিশুদের খাবার সঠিকভাবে দেওয়া হচ্ছে না। ঘটনার জেরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। (Mid-day Meal Irregularities)
স্থানীয় সূত্রে খবর, কয়েক মাস আগে ওই কেন্দ্রে শিক্ষিকা হিসেবে যোগ দেন শান্তি কুণ্ডু। অভিযোগ, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর শিশুদের নিয়ম মেনে খাবার দেওয়ার চেষ্টা শুরু করেন। কিন্তু রান্নার দায়িত্বে থাকা তাঁর সহায়িকা রেবা মণ্ডল ওরফে রেবা নস্কর সেই কাজে বাধা দিচ্ছেন বলে দাবি গ্রামবাসীদের একাংশের। স্থানীয়দের অভিযোগ, আগের শিক্ষিকা সময় অনিয়ম চললেও বর্তমানে নিয়ম মেনে খাবার বিলি হওয়ায় দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। (Mid-day Meal Irregularities)
শান্তি কুণ্ডুর অভিযোগ, তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, পুরো ঘটনার ভিডিয়ো তিনি সুপারভাইজার ও সিডিপিও-কে পাঠিয়েছেন। অভিযোগ, তাঁকে লক্ষ্য করে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়, এমনকি বঁটি নিয়ে হামলারও চেষ্টা করা হয়েছে। শান্তির কথায়, “ও বলছিল চাকরি ছাড়িয়ে দেবে। তারপর বঁটি নিয়ে এসে গলায় ধরেছিল। আমি সব ভিডিয়ো করেছি।”
অন্যদিকে গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বাচ্চাদের খাবার নিয়মিত দেওয়া হয় না। কখনও আগের দিন জানালে তবেই খাবার পাওয়া যায়, আবার কখনও ডাল ছাড়া শুধু ভাত দেওয়া হয়। ডিমও অর্ধেক করে দেওয়া হত বলেও অভিযোগ উঠেছে। এক অভিভাবকের কথায়, “নতুন দিদিমণি ঠিকভাবে খাবার দিতে শুরু করতেই সমস্যা শুরু হয়েছে।” (Mid-day Meal Irregularities)
বিক্ষোভকারীদের দাবি, অবিলম্বে রান্নার দায়িত্বে থাকা রেবা মণ্ডলকে সরাতে হবে। তাঁদের অভিযোগ, গত ছয়-সাত মাস ধরে কেন্দ্রের পরিবেশ অশান্ত হয়ে উঠেছে। শিশুদের স্বার্থে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবিও তুলেছেন স্থানীয়রা। যদিও এই ঘটনায় প্রশাসনের তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার থেকে মহিলাদের ফ্রি বাস যাত্রা—একগুচ্ছ ঘোষণা রাজ্য সরকারের

