যোগী আদিত্যনাথের সভা থেকে ফেরার পথে বিজেপি নেতা-কর্মীদের বাসে হামলা (BJP-TMC Clash in Bankura)। ভাঙলো বাসের কাচ, আহত এক বিজেপি কর্মী। প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। যদিও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূলের ।
সোনামুখী বিধানসভা এবং ইন্দাস বিধানসভা কেন্দ্রের দুই বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে পাত্রসায়ের গরুহাট তলায় উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের বিজয় সংকল্প সভা ছিল।সোনামুখী থেকে একাধিক বাসে সেখানে গিয়েছিলেন বিজেপির কর্মী সমর্থকেরা। সভা শেষে বাসগুলি বিজেপি কর্মী সমর্থকদের নিয়ে পাত্রসায়ের থেকে সোনামুখী ফিরছিল। বিজেপির অভিযোগ, ঠিক তখনই ধানশিমলা রেলগেট সংলগ্ন এলাকায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বাসের ওপর হামলা চালায়। ছুঁড়তে থাকে ইট,পাথর।
ইটের ঘায়ে একটি বাসের জানালার কাচ ভেঙ্গে গুঁড়ো হয়ে যায় । আহত হন এক বিজেপি কর্মী। এরপরই বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা তাদের উপর হামলার প্রতিবাদে ধানশিমলায় বাঁকুড়া-বর্ধমান রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা হাতে বাঁশ-লাঠি-সোটা নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মূহুর্তের মধ্যে রণক্ষেত্রের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছান সোনামুখী কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিবাকর ঘরামী । তিনি কথা বলেন পুলিশের সঙ্গে।
প্রায় ৪০ মিনিট ধরে বিজেপি কর্মীদের অবরোধ চলার পর পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ ওঠে। দিবাকর বলেন, ‘‘ভোটের লড়াইয়ে এঁটে উঠতে পারবে না বুঝতে পেরে এই সব কাণ্ড করছে তৃণমূল। আমাদের একজন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ায় অবরোধ তুলে নিয়েছি।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘হামলাকারী তৃণমূল কর্মীরা বুঝতে পারছেন না যাদের কথায় তাঁরা এভাবে আক্রমণ করছেন, আগামী ৪ এপ্রিলের পর তাঁদের আর পাশে পাবেন না।’’
অন্যদিকে বিজেপির (BJP-TMC Clash in Bankura) অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে ঘাসফুল শিবির। “সোনামুখী বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কল্লোল সাহা বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল যুক্ত নয় এটা বিজেপির মিথ্যা অপপ্রচার। তৃণমূল কর্মীদের অন্যান্য কাজ আছে তারা সেই কাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন”।

