Site icon Hindustan News Point

west bengal election 2026: রাজ্যে আচমকাই অসুস্থ কেন্দ্রীয় বাহিনীর ২৪ জওয়ান, চাঞ্চল্য

west bengal election 2026

ভোটের মুখে নিরাপত্তা জোরদার করতে রাজ্যে মোতায়েন হয়েছে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী (west bengal election 2026)। তার মধ্যেই কোচবিহারে হঠাৎ একসঙ্গে ২৪ জন জওয়ান অসুস্থ হয়ে পড়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে তুফানগঞ্জ-২ ব্লকের তল্লিগুড়ি হাইস্কুলে, যেখানে অস্থায়ী ক্যাম্পে ছিলেন ওই জওয়ানরা।

জানা গিয়েছে, বুধবার থেকে একে একে জওয়ানদের পেটের সমস্যা শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত খারাপ হতে থাকায় তাঁদের তড়িঘড়ি তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, মোট ২৪ জনের মধ্যে ১০ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হলেও এখনও ১৪ জন জওয়ান চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলেও জানা গিয়েছে।

প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকদের অনুমান, খাদ্যে বিষক্রিয়ার জেরেই এই অসুস্থতা। কারণ, যে স্কুলে তাঁরা ছিলেন, সেখানেই নিজেরাই রান্না করে খাচ্ছিলেন। ঠিক কোন খাবার বা পানীয় থেকে সমস্যা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে খাবার ও পানীয় জলের নমুনা পরীক্ষার কথাও ভাবা হচ্ছে।

BJP ক্ষমতায় আসলেই রাজ্যে বন্ধ বিফ বিক্রি? মুখ খুললেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা

এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছেন। আজকের মধ্যেই সেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অসুস্থতার প্রকৃত কারণ কী—খাদ্যজনিত নাকি অন্য কোনও কারণ—তা খতিয়ে দেখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, সামনে বিধানসভা নির্বাচন। আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। তার আগে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ব্যাপক সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী ১৮ এপ্রিল থেকে বাহিনী মোতায়েনের কাজ শুরু হয়ে ২০ এপ্রিলের মধ্যে তা সম্পূর্ণ করার কথা।

এর মধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের অসুস্থতার ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে প্রশাসনের। উল্লেখযোগ্যভাবে, এর আগেও দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা এলাকায় ভোটের দায়িত্বে থাকা এক জওয়ানের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল, যা ঘিরে প্রশ্ন উঠেছিল নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে।

সব মিলিয়ে ভোটের আগে এই ঘটনাকে ঘিরে চাপ বেড়েছে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের ওপর। এখন নজর রিপোর্টের দিকে—সেখানেই মিলবে আসল কারণ।


Exit mobile version