আগের সরকারের আমলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডাররের টাকা একাধিক পুরুষের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালু করতে গিয়ে এমনই তথ্য পেয়েছে রাজ্য প্রশাসন। যে সব পুরুষ প্রাপকেরা এর সঙ্গে যুক্ত তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। এবার আরও কড়া নবান্ন। সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।
শুধু পুরুষের অ্যাকাউন্ট নয়, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের (Lakshmir Bhandar) টাকা ঢুকেছে একাধিক ভুয়ো অ্যাকাউন্টেও। এমনই অভিযোগ তুলে তদন্তে আরও সক্রিয় হওয়ার কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। এখনও পর্যন্ত ২২টি এমন অ্যাকাউন্ট পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, অন্তত ৩০ লক্ষ এমন ভুয়ো অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে। ৩০ লক্ষ অ্যাকাউন্টে যদি ১৫০০ টাকা করে ঢোকে, তাহলে কত টাকা লুঠ হচ্ছে, সেই হিসেবও দেন শুভেন্দু। ডিজিপির নির্দেশে এবার সিট গঠন করে তদন্ত হবে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, “এখনও পর্যন্ত মোট ২২টি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট পাওয়া গিয়েছে। যেখান থেকে পুরুষদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢুকছে। ১ টি অ্যাকাউন্ট রাকিবুলের, আরও ১৫টি মুস্তাফিজুর রহমান ও তার স্ত্রী তুহিনার, বাকি ৬টি অ্যাকাউন্ট তারিকুল রহমানের।”
অন্নপূর্ণা যোজনার ১২ পাতার ফর্ম নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তুলে শুভেন্দু আরও বলেন, “যারা ১২ পাতা, ১৬ পাতা, ১৮ পাতা করছেন – জনগণের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত নেতা ও তাদের দলকে বলব সংখ্যাটা কত হবে আমরা জানি না। অনুপ্রবেশকারী, হাজার হাজার তৃণমূল নেতা–যারা মহিলা নন,তারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার লুট করছেন। আমরা কাউকে ছাড়ব না। সিট গঠন করতে বলেছি। আমরা হিসাব করে দেখেছি। রাকিবুল, মুস্তাফিজুরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হবে। লুটেরাদের পার্টি কীভাবে লুট করেছে এটা তার প্রমাণ। তৃণমূল স্তর থেকে খতিয়ে দেখা হবে।”

