পর পর ৩ বার হাজিরা এড়িয়েছেন। তবে এবার আর পার পেলেন না। অবশেষে হাই কোর্টের নির্দেশে CID-তে হাজিরা দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিকেল সাড়ে ৪ টের দিকে কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন অভিষেক(Abhishek Banerjee)। বিমানবন্দর থেকে বেরনোর মুখে উঠল ‘চোর’ শ্লোগান। রীতিমতো ধস্তাধস্তির মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিমানবন্দরে নিরাপত্তারক্ষীরা এগিয়ে আসেন। কোনওরকমে নিরাপত্তারক্ষীদের সহযোগিতায় গাড়িতে ওঠেন তিনি। সেখান থেকে চলে যান কালীঘাটের বাড়িতে। বাড়ি হয়ে বিকেল ৫ টা ৪৯ মিনিট ভবানী ভবনে ঢোকেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। হাই কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যেই তিনি ভবানী ভবনে ঢোকেন।
সূত্রের খবর, প্রথমে গেটে ঢুকতেই সই না করেই ভবানী ভবনে ঢুকে যান অভিষেক। তারপর ফিরে গিয়ে সই করতে হল ভিজিটর্স বুকে, তারপর এন্ট্রি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যে ৬ টার মধ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যাকে (Abhishek Banerjee) সিআইডি দফতরে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাই কোর্টের বিচারপতি কৌশিক চন্দ। সেই মতোই এবার তিনি হাজিরা দিলেন।
বিধানসভায় সই জাল-কাণ্ডে অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিআইডি। এর আগে তিনি একাধিক বার হাজিরা এড়িয়েছেন। এক বার শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে সময় চেয়েছিলেন রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কাছে। তাঁর কাছ থেকে রেজলিউশন কপি চায় সিআইডি। শেষ পর্যন্ত আজ CID-র কাছে হাজিরা দিচ্ছেন অভিষেক।
সিআইডি-র বক্তব্য, অনেক বিধায়কই বলছেন যে তাঁরা সেদিন ছিলেন না, যেদিন রেজলিউশন ডেট বলা হচ্ছে। সেই প্রেক্ষিতে প্রামিকভাবে তদন্তে উঠে আসছে এই অপরাধ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় করেছেন। এই প্রেক্ষিতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করা অত্যন্ত জরুরি।
হাজিরা দেওয়ার আগে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে ভবানীভবন। বাড়ানো হয় পুলিশের সংখ্যা। মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিমানবন্দর থেকে এসকর্ট করে নিয়ে যাওয়া হয় অভিষেককে। গোটা রাস্তা সুরক্ষা দিয়ে আনা হয়। যাতে কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

