প্রেমিকার ডাকে সাড়া দিয়ে দেখা করতে গিয়েছিল যুবক। সেটাই হল কাল। আর বাড়ি ফেরা হলো না। শনিবার গোটা রাত নিখোঁজ ছিল বছর কুড়ির সৌরভ হালদার। রবিবার সকালে প্রেমিকার বাড়ির পিছনের জমি থেকে উদ্ধার হয় তার মৃতদেহ। ঘটনাটি ঘটেছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী নদিয়া জেলার গেদে হালদারপাড়া এলাকায়। মৃতদেহের পাশ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি মোবাইল ফোন। ঘটনাটি তদন্ত শুরু করেছে কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ।
স্থানীয়দের দাবি, মৃত সৌরভ হালদার স্থানীয় একটি স্কুলের ক্লাস টুয়েলভের ছাত্র। প্রেমা হালদার নামে এলাকার একটি মেয়ের সঙ্গে ছিল তাঁর দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক। মাঝে মাঝে প্রেমিকার ডাকে ছুটে যেত সৌরভ। তার বোন জানায়, গতকাল রাতেও সৌরভকে ফোন করে দেখা করতে ডাকে প্রেমা। সেইমতোই সৌরভও বেরিয়ে যায় বাড়ি থেকে। কিন্তু রাতে আর ফেরে না সে। সারারাত বাড়ির বাইরে ছিল।

পরদিন রবিবার সকালে প্রেমিকার বাড়ির পিছনের জমি থেকে উদ্ধার হয় তার দেহ। প্রেমিকার মা পম্পা হালদার প্রথম মৃতদেহটি দেখে স্বামী অনুপ হালদারকে খবর দেন। পরে অনুপ হালদার তাঁর আত্মীয় মারফত সৌরভের বাড়িতে খবর পাঠান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে সৌরভের পরিবার। ছেলের শোকে কান্নায় ভেঙে পড়েন মা।
মৃতের বাড়ির সদস্যদের দাবি এই খুনের পিছনে প্রেমিকা প্রেমা ও তার বাড়ির লোক দায়ী। সৌরভকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। এর আগেও প্রেমিকার বাবা অনুপ হালদার সৌরভের গায়ে হাত তোলে বলে অভিযোগ। এমনকি মেরে সৌরভের হাত ও মোবাইল ভেঙে দেন তিনি। এই সম্পর্কের বিরুদ্ধে ছিল প্রেমার বাড়ির লোক। সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে এই খুন করা হয়েছে। দোষীদের ফাঁসির শাস্তিতে সরব হয়েছে সৌরভের পরিবার।










