আবাসনের ভিতর থেকেই মিলল তরুণীর পচা-গলা দেহ। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে(Sonarpur)। বুধবার সকালে সোনারপুর বারেন্দ্র পাড়া এলাকার একটি আবাসন থেকে উদ্ধার হয় তরুণীর দেহ। মৃতের নাম প্রিয়াঙ্কা গায়েন। পরিবারের অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা তাঁদের বাড়়ির মেয়েকে খুন করে দরজা বন্ধ করে চলে গেছে।
সূত্রের খবর, বছর ২৭ শের এই তরুণী এই আবাসনে একাই থাকতেন। পরিবারের সঙ্গে তেমন কোনও যোগাযোগ ছিল তাঁর। পরিবার সূত্রে খবর, গত ৩-৪ দিন ধরে পরিবারের সদস্যরা প্রিয়াঙ্কার কোনও খোঁজ পাচ্ছিলেন না। মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল। ফলে মেয়েকে ফোন করেও পাচ্ছিলেন না। এদিকে বন্ধ ফ্ল্যাটের ঘর থেকে পচা দুর্গন্ধ ছড়াতেই সোনারপুর থানায় খবর দেন প্রতিবেশীরা। ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। ফ্ল্যাটের দরজা খুলতেই উদ্ধার হয় তরুণীর পচাগলা দেহ (Sonarpur)।
পুলিশ জানায়, বেশ কয়েকদিন আগেই প্রিয়াঙ্কা মারা গেছেন। তবে কবে বা কিভাবে প্রিয়াঙ্কার মৃত্যু হয়েছে তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরই জানা যাবে। তাঁদের মেয়েকে খুন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন পরিবারের সদস্যরা। প্রিয়াঙ্কার বাবা শিবুরাম গায়েন বলেন, “মেয়ে আমাদের সঙ্গে থাকে না। আলাদা ফ্ল্যাট কিনে থাকছিলো। খবর পেয়ে এসেছি।”
প্রিয়াঙ্কার মা মিলি গায়েন বলেন, ” মেয়েকে খুন করা হয়েছে, পুলিশ তদন্ত করে দেখুক এই ঘটনায় কারা জড়িত।” প্রিয়াঙ্কার পরিবারের আরও এক সদস্য বলেন, “শুক্রবার রাত্রে প্রিয়াঙ্কার এক বিশেষ বন্ধুর জন্মদিন ছিল। সেই বন্ধুর নাম রাজেশ। রাজেশের বাড়়ি সোনারপুর বোসপুকুরে। তাঁর দাবি, প্রিয়াঙ্কাকে খুন করে ঘরের দরজা বন্ধ করে পালিয়ে গেছে।”
পুলিশকে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করার আবেদন জানিয়েছে প্রিয়াঙ্কার পরিবার। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আত্মহত্যা নাকি খুন? তদন্তে অগ্রগতি আনতে পুলিশ আবাসনের প্রতিটি সিসিটিভি ফুটেজ করে খতিয়ে দেখছে।

