Site icon Hindustan News Point

DG-CP Change: মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিবের পর এবার রাজ্যের ডিজি ও সিপি বদল করল নির্বাচন কমিশন

DG-CP Change

নির্বাচন বিধি লাগু হওয়ায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মুখ্যসচিবও স্বরাষ্ট্রসচিব (DG-CP Change) বদল করেছে কমিশন। এবার কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি-কেও বদলে দিল নির্বাচন কমিশন। রবিবার রাতে রাজ্যের মুখ্যসচিব পদ থেকে নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে দেয় কমিশন। তাঁর জায়গায় নিয়োগ করা হয় দুষ্মন্ত নারিওয়ালাকে। সরানো হয়েছে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশপ্রসাদ মীনাকেও। নতুন স্বরাষ্ট্রসচিব করা হয়েছে সংঘমিত্রা ঘোষকে। তার পর সোমবার সকালে আরও রদবদলের ঘোষণা করা হল।

কলকাতার পুলিশ কমিশনার সুপ্রতীম সরকারকে সরিয়ে সেই জায়গায় আইপিএস অফিসার অজয় নন্দকে নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন। অজয়, পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ছিলেন তিনি। মাওবাদী দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে তাঁর। আসানসোল-দুর্গাপুরের কমিশনার হিসাবেও কাজ করেছেন একসময়। ছিলেন কলকাতা পুলিশেও। এর আগে পশ্চিমবঙ্গ এসটিএফ-এর প্রথম আইজি নিযুক্ত হয়েছিলেন তিনি। ডিজি ও আইজিপি হলেন সিদ্ধিনাথ গুপ্তা।

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে প্রশাসনিক স্তরে একাধিক রদবদলের পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবের পদে পরিবর্তনের নির্দেশ জারি করা হয়েছিল। এবার সেই ধারাবাহিকতায় রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনেও বড়সড় রদবদল করা হল। ডিজি এবং সিপি পদে পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের মতে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণেই ভোটের আগে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা কিছু শীর্ষ আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এই পদক্ষেপ ।


সূত্রের খবর, রাজ্যের ডিজি পদে নতুন আধিকারিককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কলকাতা পুলিশ কমিশনার পদেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী নতুন আধিকারিকরা দ্রুত দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশ প্রশাসনের (DG-CP Change) অন্যতম বড় দায়িত্ব। তাই গুরুত্বপূর্ণ এই দুই পদে রদবদলকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
কমিশনের দাবি, নির্বাচন ঘিরে যাতে কোনও ধরনের পক্ষপাতিত্ব বা প্রশাসনিক প্রভাবের অভিযোগ না ওঠে, সেই লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত।
রাজনৈতিক মহলেও এই রদবদল নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। অনেকের মতে, ভোটের আগে কমিশনের এই পদক্ষেপ প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
উল্লেখ্য, আগামী মাসেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। দুই দফায় ভোটগ্রহণের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশাসনের শীর্ষস্তরে এই রদবদলও সেই প্রস্তুতিরই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।


Exit mobile version