Site icon Hindustan News Point

Dilip Ghosh: “বিয়ে করলেন, মিষ্টি খাওয়ালেন না!”- ব্রিগেড মঞ্চে দিলীপকে বললেন অভিমানী মোদি

Dilip Ghosh

ব্রিগেডের রাজনৈতিক সভা মানেই গুরুগম্ভীর আলোচনা। কিন্তু শনিবার সেই ব্রিগেড মঞ্চেই তৈরি হল এক মজার মুহূর্ত। উপস্থিত নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সময় সামনে পড়েন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। আর তাঁকে দেখেই হালকা রসিকতার সুরে মোদি তুলে আনলেন তাঁর বিয়ের প্রসঙ্গ। প্রধানমন্ত্রীর সেই মজার মন্তব্য শুনে মুহূর্তেই মঞ্চে ছড়িয়ে পড়ে হাসির রোল।

শনিবার ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের বক্তব্য শেষ করার পর মঞ্চে থাকা বিজেপি নেতাদের সঙ্গে একে একে করমর্দন করছিলেন। দিলীপ ঘোষের পালা আসতেই তাঁকে দেখে মোদি হাত ধরে মজা করে বলেন, “বিয়ে করলেন, মিষ্টি খাওয়ালেন না তো!” প্রধানমন্ত্রীর এই কথায় প্রথমে একটু অবাক হলেও পরে হেসে ফেলেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর সঙ্গে মঞ্চে থাকা অন্য নেতারাও হাসিতে যোগ দেন। দিলীপ মাথা নেড়ে সম্মতি জানিয়ে বলেন, ভোটের ব্যস্ততা মিটে গেলে নিশ্চয়ই মিষ্টিমুখ করাবেন।

PNG AND LPG: পিএনজি থাকলে এলপিজি নয়,নয়া নির্দেশ জারি করল কেন্দ্র

উল্লেখ্য, দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির অন্যতম প্রভাবশালী ও ‘তাঁবড়’ নেতা হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন দলের রাজ্য সভাপতির দায়িত্বও সামলেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচিতে তাঁকে কম দেখা গেলেও শনিবারের ব্রিগেড সভায় তিনি উপস্থিত ছিলেন এবং প্রধানমন্ত্রীর মঞ্চেই প্রথম সারিতে বসেন। সভায় তিনি বক্তব্যও রাখেন।

ব্যক্তিগত জীবনে গত বছরই নতুন অধ্যায় শুরু করেন দিলীপ ঘোষ। ২০২৫ সালের ১৮ এপ্রিল তিনি বিয়ে করেন দলীয় সহকর্মী রিঙ্কু মজুমদারকে। দীর্ঘদিনের কাজের সূত্রেই তাঁদের পরিচয় । পরে দু’জনেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ‘রাফ টাফ’ দিলীপকে টোপর পরে বিয়ের সাজে দেখে অবাক হয়েছিলেন অনেকেই।

দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) বিয়ের অনুষ্ঠানটিও ছিল ঘরোয়া। নিউটাউনে নিজের বাসভবনেই ছোট করে আয়োজন করা হয়েছিল। খুব বেশি জাঁকজমক ছিল না, উপস্থিত ছিলেন হাতে গোনা কিছু আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠজন, সংখ্যাটা মেরেকেটে একশোর কাছাকাছি। তবে যতই আড়ম্বরহীন বিয়ে হোক না কেন। এমন খবর কি আর চাপা থাকে। তাই এই খবরটি পৌঁছে গেছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছেও। তিনিও বোধহয় ভেবেছিলেন বিয়ের নিমন্ত্রণ নাইবা পেলাম, তবে দিলীপকে এবার সামনে পেলেই মিষ্টি খাওয়ানোর আবদার করতেই হবে। যেমন ভাবা তেমন কাজ।

তাই ব্রিগেডের রাজনৈতিক মঞ্চে হঠাৎ করে বিয়ের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রীর এই রসিক মন্তব্য অনেকের কাছেই ছিল অপ্রত্যাশিত। কিন্তু সেই মুহূর্তে রাজনৈতিক গুরুগম্ভীর পরিবেশ খানিকটা হালকা হয়ে যায়। দিল্লিতে বসেও দলের কর্মীদের বিষয়ে যে মোদি যথেষ্ট খবর রাখেন সে কথাও শনিবার এই বক্তব্য থেকে এ আবারও স্পষ্ট হয়ে গেল।


Exit mobile version