মঙ্গলবার সকালেও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। দমকল জানিয়েছে, আগুন নেভানো গেলেও এখনও সাদা ধোঁয়া রয়েছে। বাজারে পকেট ফায়ারগুলি কাজ করছে।
উৎসবের মরসুমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড বিরাটি স্টেশন সংলগ্ন বাজারে (Birati Station Fire Incident)। সোমবার গভীর রাত দেড়টা নাগাদ যদুবাবু বাজারে (Birati Jadubabu Market) আগুন লাগে বলে জানা গেছে স্থানীয় সূত্রে। মুহূর্তের মধ্যে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ৭টি ইঞ্জিন। তবে রাতে হাওয়া চলছিল, যে কারণে আগুন নেভাতে দমকলকর্মীদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে।
দমকল ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও রাস্তা সরু হওয়ার কারণে বাজারের ভিতরে যেতে পারেনি। তাই পাশের উড়ালপুলে দমকলের গাড়িগুলি দাঁড় করিয়ে আগুন নেভানোর কাজ হচ্ছিল। মঙ্গলবার সকালেও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। দমকল জানিয়েছে, আগুন নেভানো গেলেও এখনও সাদা ধোঁয়া রয়েছে। বাজারে পকেট ফায়ারগুলি কাজ করছে। কী কারণে আগুন লাগল তা এখনও জানা যায়নি। তবে এই অগ্নিকাণ্ডে যদুবাজারের ২০০টি দোকান পুড়ে খাক, ব্যবসায়ীরা কার্যত সর্বস্বান্ত হয়ে গেছে।
Khaleda Zia: সব চেষ্টা ব্যর্থ, প্রয়াত খালেদা জিয়া
আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখছে দমকলকর্মীরা। প্রত্যক্ষদর্শী ব্যবসায়ীরা বলছেন, গভীর রাতে প্রথমে বাজারের একটি দোকানে আগুন লাগে, পরে তা অল্প সময়ের মধ্যেই গোটা বাজার গ্রাস করে নেয়। দমকলকে খবর দেওয়া হয় কিন্তু তাদের আসার আগেই অনেকটা ক্ষতি হয়ে গেছিল। পাশাপাশি এলাকা ঘিঞ্জি হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
এই অগ্নিকাণ্ডের জেরে যেকোনও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। কারণ, বাজারের কাছেই একাধিক ফ্যাট, বাড়ি- ঘন জনবসতি আছে, সেখানে আগুন ছড়িয়ে গেলে প্রাণহানির আশঙ্কাও ছিল।
বছরের শেষ ক’দিনে এখন উৎসবের আমেজ। এমন সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। জানা গেছে, দোকানের সর্বস্ব পুড়ে গিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি লাখ লাখ টাকার। অনেকের দোকানে সামগ্রী ছাড়াও নগদ টাকা রাখা ছিল, সেগুলিও এখন পোড়া কাগজ ছাড়া আর কিছু না। এই ক্ষতি পূরণ করতে অনেক সময় লাগবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। কীভাবে করবেন, তা ভেবে উঠতেই পারছেন না অনেকে। সব মিলিয়ে বলা যায়, বছরের শেষটা তাঁদের জীবনে অভিশাপ ডেকে আনল।










1 thought on “বিরাটির যদুবাবু বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, গভীর রাতে ভস্মীভূত প্রায় ২০০ দোকান”