Site icon Hindustan News Point

Goghat Tmc Bjp Clash: রণক্ষেত্র গোঘাট, প্রচারের গাড়িতে হামলা, সংঘর্ষে একাধিক জখম, লাঠিচার্জ পুলিশের

Goghat Tmc Bjp Clash

ভোটের আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল হুগলির গোঘাট। বিজেপির মিছিল ঘিরে উত্তপ্ত গোঘাটের বর্মা (Goghat Tmc Bjp Clash)। তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে দু’পক্ষের বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। বেশ কয়েকটি গাড়ি ও বাইক ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। একে-অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলছে বিজেপি-তৃণমূল দুপক্ষই। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে লাঠিপেটা করতে হয়।

বিজেপির প্রচার মিছিলে হামলা এবং প্রচার গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। লাঠি-বাঁশের আঘাতে ২২ জন আহত বিজেপি কর্মীকে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানান বিজেপি প্রার্থী প্রশান্ত দিগার। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী গিয়ে কয়েকজনকে আটক করেছে। হামলার কথা অস্বীকার করেন তৃণমূলের গোঘাট ১ ব্লক সভাপতি কাজল রায়।

অন্যদিকে বিজেপির এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, বর্মা এলাকায় এদিন বিজেপি প্রার্থী প্রশান্ত দিগার প্রচার মিছিল করেন। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপির মিছিল থেকে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে কটূক্তি, গালিগালাজ করা হয়। অভিযোগ, প্রচারের গাড়িতে রড, লাঠি সহ অস্ত্র বোঝাই করে এনেছিল বিজেপি। লাঠি, রড নিয়ে তেড়ে এসে তাঁরা মারধর করে। ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। বিজেপি এনিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাবে বলে দাবি করেছে। বিজেপি প্রার্থী এই ঘটনায় গোঘাট থানার ওসিকে অপসারণের দাবি তুলেছেন। তবে ঘটনার পর এখনও পরিস্থিতি থমথমে রয়েছে।

প্রচারের শেষলগ্নে এসে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল গোঘাট বিধানসভা কেন্দ্র। আক্রান্ত হনন আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ মিতালী বাগ। সোমবার দুপুরে তাঁর গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। বিজেপির দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল সাংসদ। এই ঘটনায় তিনি আহত হয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাঁকে।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করে। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। নির্বাচন কমিশনও (Goghat Tmc Bjp Clash) এই ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে। ঘটনার পর থেকে বর্মা ও বিকদাস এলাকায় রয়েছে চাপা উত্তেজনা, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিরাট পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

বিরোধীদের দাবি, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার জন্যই এই ধরণের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের পাল্টা দাবি, হারের ভয়েই বিজেপি হিংসার পথ বেছে নিচ্ছে।


Exit mobile version