Site icon Hindustan News Point

Hiran Chatterjee: মনোনয়নে ‘রক্ষিতা’র নাম নেই? হিরণকে প্রশ্ন প্রথম স্ত্রীর, মনোনয়ন ঘিরে বিতর্ক

Hiran Chatterjee

প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স না দিয়েই দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছেন অভিনেতা-রাজনীতিবিদ হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Hiran Chatterjee)। আর এই ঘটনার পরই মাস কয়েক আগে অভিনেতার ব্যক্তিগত জীবনের টানাপড়েনের গল্প সকলের সামনে এসেছিল। ভোট আসতেই আবারও সেই গল্প সংবাদ শিরোনামে এল। হাওড়ার শ্যামপুরের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়। গত মার্চ মাসে পদ্মশিবিরের দ্বিতীয় প্রার্থিতালিকায় হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণার পরই তোপ দেগেছিলেন অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়। এবার শ্যামপুর কেন্দ্রে মনোনয়নপত্র জমা দিতেই ফের আক্রমণ শানালেন নেতা-অভিনেতার প্রথম স্ত্রী। তবে শুধু হিরণ নয়, তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী ঋতিকা গিরিকেও একযোগে কটাক্ষ করেছেন অনিন্দিতা! সরাসরি নাম না করে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীকে ‘রক্ষিতা’ বলে কটাক্ষ করলেন তিনি।

সূত্রের খবর, মনোনয়ন জমা দেওয়ার কয়েকদিন আগেই হিরণ আইনি প্রয়োজনে অনিন্দিতার কাছ থেকে ইনকাম ট্যাক্স রিটার্নের নথি চেয়েছিলেন। মনোনয়ন জমা হওয়ার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই অনিন্দিতা তাঁর ফেসবুক পেজে নাম না করে হিরণ ও ঋতিকাকে আক্রমণ করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “রক্ষিতার নাম উল্লেখ করেছে কি? ভারতীয় সংবিধান কি সেটা করতে বলবে?” তাঁর স্পষ্ট ইঙ্গিত ছিল, হিরণ যদি দ্বিতীয় বিয়ে করেই থাকেন, তবে সংবিধানে সেই স্ত্রীর কোনও আইনি স্বীকৃতি নেই।

চলতি বছরের একদম গোড়ার দিকে দ্বিতীয় বিয়ে করে সকলকে চমকে দেন অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Hiran Chatterjee)। নিজেই সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন বেনারসের ঘাটে ঋতিকার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার ছবি। এরপরই হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায় জানান তাঁদের আইনত বিচ্ছেদ হয়নি। তিনি জানতেন না এই বিয়ে বা সম্পর্কের কথা। হিরণের পোস্ট দেখেই জানতে পারেন। এরপর তিনি আইনের দ্বারস্থ হন।

দ্বিতীয় বিয়ে বিতর্কের জেরে ছাব্বিশের ভোটে তিনি টিকিট পাবেন কি না, তা নিয়ে বিস্তর জল্পনা ছিল। তবে মার্চের ১৯ তারিখ বিজেপির দ্বিতীয় প্রার্থিতালিকা প্রকাশ্যে আসতেই দেখা যায় বিতর্ক সত্ত্বেও হিরণের উপর ভরসা রেখেছে দল। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে হাওড়ার শ্যামপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপির ‘তুরুপের তাস’ তিনি। প্রার্থী ঘোষণার হওয়ার পর থেকেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় আদা-জল খেয়ে প্রচারে নেমে পড়েছেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়।


Exit mobile version