Site icon Hindustan News Point

আর দু’দিন নয়, একদিনই ছুটি, বকরি ইদ নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্যের

Holiday in West Bengal

বকরি ইদ (ইদ-উদ-জোহা) উপলক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ছুটির সূচিতে বড় পরিবর্তন আনা হলো। (Holiday in West Bengal) আগে ২০২৬ সালের ২৬ ও ২৭ মে টানা দু’দিন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। অর্থদপ্তরের তরফে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য সরকার জানিয়েছে, এবার থেকে একদিনই সরকারি ছুটি থাকবে এবং সেই দিনটি হল ২৮ মে, বৃহস্পতিবার। ফলে ২৬ ও ২৭ মে এখন আর ছুটি নয়, সেগুলি এখন স্বাভাবিক কর্মদিবস হিসেবেই গণ্য হবে।

রাজ্যের অর্থদপ্তরের তরফে শুক্রবার প্রকাশিত সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর প্রকাশিত সরকারি ছুটির তালিকায় বকরি ইদ উপলক্ষ্যে ২৬ মে (ইদের আগের দিন) এবং ২৭ মে (ইদের দিন) ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু ২০২৬ সালে ইদ-উদ-জোহা পালিত হবে ২৮ মে। সেই কারণেই আগের বিজ্ঞপ্তিতে আংশিক পরিবর্তন আনা হয়েছে।

(Holiday in West Bengal) বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রামেন্টস আইন, ১৮৮১ এর ধারা ২৫ অনুযায়ী ২৮ মে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে আগের ঘোষিত ২৬ ও ২৭ মে-র ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে কী বলা হয়েছে?

সরকারের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী—২৮ মে, ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) ইদ-উদ-জোহা উপলক্ষে সরকারি ছুটি। ২৬ মে ও ২৭ মে আগের ঘোষিত ছুটি বাতিল। সরকারি দপ্তর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানে ওই দুই দিন স্বাভাবিক কাজ চলবে। নবান্নের বক্তব্য, ছুটি কমানো নয় বরং উৎসব পালনের নির্ধারিত তারিখের সঙ্গে ছুটির দিন মিলিয়ে সংশোধন করা হয়েছে।

(Holiday in West Bengal) এই সিদ্ধান্তের ফলে যাঁরা আগে ২৬–২৭ মে ছুটি ধরে ব্যক্তিগত পরিকল্পনা ঠিক করেছিলেন, তাঁদের নতুন সূচি অনুযায়ী পরিকল্পনা বদলাতে হতে পারে। তবে প্রশাসনিক দিক থেকে সরকারি কাজের দিন দু’টি ফের যুক্ত হওয়ায় অফিস ও পরিষেবা স্বাভাবিক থাকবে। সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, এর পরের বড় ছুটি হিসেবে রয়েছে ২৬ জুন মহরম।

অনুমতি দিল না সেনা, আর রেড রোডে হবে না ঈদের নমাজ বিকল্প কোথায়?

অন্যদিকে, বকরি ইদকে ঘিরে রাজ্যে এ বছর আরও একটি বিষয় নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে— পশু জবাই সংক্রান্ত নির্দেশিকা। রাজ্য সরকার পশ্চিমবঙ্গ পশু হত্যা নিয়ন্ত্রণ আইন , ১৯৫০ -এর নিয়ম কঠোরভাবে কার্যকর করেছে। নির্দেশিকা অনুযায়ী নির্দিষ্ট বয়সসীমা পূরণ করা পশু এবং পৌরসভার চেয়ারম্যান বা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও পশুচিকিৎসকের অনুমোদন সহ যৌথ শংসাপত্র দেওয়ার সাপেক্ষেই জবাই করা যাবে।

এই নিয়ে একাধিক আবেদন জমা পড়লেও কলকাতা হাইকোর্ট সম্প্রতি রাজ্যের নির্দেশিকায় স্থগিতাদেশ দিতে অস্বীকার করেছে। আদালত জানিয়েছে, প্রকাশ্যে পশু জবাইয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে এবং সরকারি নির্দেশিকা পূর্ববর্তী বিচারকের পর্যবেক্ষণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

এদিকে এই কঠোর বিধিনিষেধের ফলে কলকাতায় গরুর মাংসের দাম তীব্র বৃদ্ধি পেয়েছে, দাম প্রতি কেজি ২৮০ টাকা থেকে ৬০০ টাকায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফলতার ভোটগণনায় বড় ব্যবধানে এগোচ্ছে বিজেপি, অষ্টম রাউন্ডেই ব্যবধান ৩১ হাজারের বেশি, চতুর্থ স্থানে তৃণমূল


Exit mobile version