Site icon Hindustan News Point

রেজিনগরের সভা থেকে হুমায়ূনের হুঁশিয়ারি, ফের উস্কানিমূলক মন্তব্যে বিতর্ক

Humayun Kabir

বিতর্ক আর হুমায়ুন কবীর প্রায় সমার্থক। এবার মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের কাশীপুরে এক জনসভায় উস্কানিমূলক মন্তব্য করে ফের বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবীর (Humayun Kabir)। প্রাক্তন শাসকদল থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পরও ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দুটি কেন্দ্র থেকে জিতে নিজের রাজনৈতিক জনপ্রিয়তা প্রমাণ করেছেন তিনি। তবে বিধায়ক হওয়ার পরও তাঁর বেলাগাম মন্তব্য এবং হুঁশিয়ারিকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

রেজিনগরের জনসভায় হুমায়ূন কবীর (Humayun Kabir) বলেন, “বিজেপি জিতেছে, সরকার গড়েছে, ভালো কথা। কিন্তু মুর্শিদাবাদে হেরেও দু-একজন এমন আস্ফালন দেখাচ্ছেন যেন তাঁরাই বিধায়ক। এই আস্ফালনটা কমান। আমি যখন মুসলমানদের জড়ো করে করে স্যাটাভাঙা মার শুরু করব না, পালানোর পথ পাবেন না।” একই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “কেস হবে? ওরকম কেস আমাদের বিরুদ্ধে অনেক আছে।”

এর আগে ‘হিন্দুদের কেটে ভাগীরথীর জলে মিশিয়ে দেব’- মন্তব্যকে কেন্দ্র করে যেমন তিনি বিতর্কে জড়িয়েছিলেন, তেমনই এবারও তাঁর ‘স্যাটাভাঙা মার’-এর হুঁশিয়ারি নতুন করে রাজনৈতিক মহলে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। দল বদল করেও, রাজ্যে সরকার পরিবর্তন হলেও হুমায়ুনের (Humayun Kabir) বক্তব্যের ধরনে কোনও পরিবর্তন হয়নি।

হাঁটু জল ঠেঙিয়ে নিজের এলাকায় ঘুরলেন রুদ্রনীল, তোপ দাগলেন বিগত সরকারকে

তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক থাকাকালীনও হুমায়ূন কবীরের বিরুদ্ধে বারবার আপত্তিকর ভাষায় সাম্প্রদায়িক উসকানি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে একের পর এক মন্তব্যের জেরে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর তিনি আমজনতা উন্নয়ন পার্টি গঠন করে নির্বাচনে লড়াই করেন।

নির্বাচনের আগে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কোটি টাকার বিনিময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর ষড়যন্ত্রের অভিযোগও ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। সেই সময় একটি ভিডিয়োও ভাইরাল হয়েছিল। যদিও এই সমস্ত বিতর্ককে পিছনে ফেলে নওদা এবং রেজিনগর—দুটি কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন হুমায়ূন কবীর (Humayun Kabir)। বর্তমানে তিনি আমজনতা উন্নয়ন পার্টির জনপ্রতিনিধি। পরে অবশ্য রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের আসনটি তিনি তাঁর ছেলের জন্য ছেড়ে দেন।


Exit mobile version