দক্ষিণ ২৪ পরগনার চম্পাহাটি-উত্তরভোগ রোডের ধারে অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডার কারবারের বড়সড় পর্দাফাঁস করল ডিইবি ও বারুইপুর থানার পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার কামরা এলাকায় যৌথ অভিযান চালান তদন্তকারীরা। সেখানেই একটি ঘাঁটি থেকে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ ঘরোয়া ও বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডার। পুলিশ সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় বেআইনিভাবে অটো রিকশায় গ্যাস রিফিল এবং সিলিন্ডার মজুতের কাজ চলছিল। অভিযোগ, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়েই এই কারবার চালানো হচ্ছিল। (Illegal LPG Gas Cylinder )
অভিযানে বিভিন্ন সংস্থার মোট ১৭৭টি ভর্তি ও খালি গ্যাস সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে গ্যাস ভরার কাজে ব্যবহৃত নানা সরঞ্জামও। তদন্তকারীদের দাবি, ঘরোয়া সিলিন্ডারের গ্যাস বেআইনিভাবে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। পাশাপাশি অটো রিকশায় গ্যাস ভরে তা চলাচলের জন্য ব্যবহার করা হতো বলেও অভিযোগ। (Illegal LPG Gas Cylinder )
এই ঘটনায় দিলীপ মণ্ডল নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও বেশ কিছু তথ্য উঠে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, গোটা চক্রের সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারে। তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। ধৃতের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হচ্ছে এবং শুক্রবার তাকে পুলিশ হেপাজতের আবেদন জানিয়ে আদালতে তোলা হবে।
এদিকে, ধৃতদের পুলিশ ভ্যানে করে নিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখেও পড়তে হয় অভিযুক্তদের। সেই সময় মূল অভিযুক্ত নিজের মুখেই অবৈধ কারবারের কথা স্বীকার করে নেয়। তিনি জানান, তাঁরা উনুন ও গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা করতে এসেছিল এবং অটোতে গ্যাস রিফিল করার উদ্দেশ্যেই এই কাজ চলছিল। কতগুলি সিলিন্ডার ছিল, তা তিনি নিজে গুনে দেখেননি বলেও দাবি করেন। (Illegal LPG Gas Cylinder )
ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এভাবে গ্যাস মজুত ও রিফিলিং চলায় বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল বলে মনে করছে পুলিশ। তাই গোটা ঘটনার তদন্তে নেমে অবৈধ গ্যাস চক্রের শিকড় খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
প্রতিবেশী বৃদ্ধের হাতে যৌন হেনস্থার শিকার নাবালিকা, পলাতক অভিযুক্ত

