ক্রিকেটের ভাষায় কি বলবেন? ঝোড়ো ইনিংস! দাপুটে ব্যাটিং! না গোলা ঝরানো বোলিং! যাই বলুন না কেন, কোনওভাবেই পরাস্ত করা যাচ্ছে না শীতের Joynagarer Moa।
এ বছর বিদেশি মার্কেটে সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে। তবে কিছুটা হলেও খেদের বিষয়, এটাই যে জয়নগরের একদম ১ নম্বর মোয়া আর দেশে বেশি থাকছে না। এর অধিকাংশটাই পাড়ি জমাচ্ছে বিদেশে। গত বছর জয়নগর থেকে সমুদ্র পেরিয়ে মোয়া পাড়ি দিয়েছিল সুইডেন, মালয়েশিয়া। এবার মোয়া যাচ্ছে USA তে! শীত জমাট বাঁধতেই কনকচূড় ধানে মিষ্টি গন্ধ ধরেছে। নলেন গুড়ের স্বাদ বেড়ে প্রায় দেবভোগ্য। সে সব সহযোগে তৈরি হচ্ছে উৎকৃষ্ট জাতের মোয়া। তাতে পড়ে খোয়া ক্ষীর। ভাল ঘি। এখন বিদেশ থেকে অর্ডার আসা শুরু হয়ে গিয়েছে। মোয়া ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, খেজুর গাছ থেকে ভালো পরিমাণ রস সংগ্রহ হচ্ছে। এ বছর গুড়ের জোগান পর্যাপ্ত। শীত ভালভাবে না পড়লে এসব মিলত না। ফলে গত বছরের তুলনায় এবছর চলতি মাসের মাঝামাঝি থেকে বিদেশে রফতানি বেড়েছে।
এক মোয়া ব্যবসায়ী বলেন, ‘গতবছর ১৫ হাজার পিস মোয়া বিদেশে রফতানি হয়েছে। এ বছর এই সময়ের মধ্যে তার থেকে বেশি রফতানি হয়েছে। তাঁরা জানান, এক রফতানি সংস্থার মাধ্যমে আমেরিকাতে মোয়া পাঠানো হচ্ছে প্রায় ৫০ কেজি। যা সময় নিয়ে যেতে লাগবে পাঁচ দিন। পাঁচ দিনের মধ্যে পৌঁছে যাবে আমেরিকার মাটিতে জয়নগরের মোয়া। ঘি, ক্ষীর কিসমিস, এলাচ, জয়িত্রি, নলেনগুড়, কনকচূড় ধান দিয়ে সে মোয়া তৈরি হয়েছে।

