কালবৈশাখীর রুদ্ররূপ ডুয়ার্সে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রবল ঝড়ে কার্যত তছনছ হয়ে গিয়েছে জলপাইগুড়ির বানারহাট-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা। ঝড়ের দাপটে বহু মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। ভেঙে পড়ে স্বাভাবিক জনজীবন। বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে বিদ্যুৎ পরিষেবা। (Kalbaishaki)

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা নামতেই আকাশ কালো করে আসে। কিছুক্ষণের মধ্যই শুরু হয় প্রবল বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি। কোথাও আবার শিলাবৃষ্টি চলে। সঙ্গে বইতে থাকে ঝোড়ো হাওয়া। আর তাতে মুহূর্তের মধ্যে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় ডুয়ার্সের একাধিক এলাকা। সবথেকে বেশি ক্ষতি হয়েছে জলপাইগুড়ির বানারহাটে। একাধিক জায়গায় জাতীয় সড়কের ওপর উপড়ে পড়ে বড় বড় গাছ। রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় যান চলাচল সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে যায়। ঝড়ের তীব্রতায় বহু কাঁচা বাড়ির চাল উড়ে যায়। ভেঙে পড়া গাছের তলায় চাপা পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশ কিছু পাকা বাড়িও। (Kalbaishaki)
অন্যদিকে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস মতো দার্জিলিং, কালিম্পংয়ে রাত থেকে টানা বৃষ্টি শুরু হয়। যার জেরে দার্জিলিং পাহাড় এবং শহর শিলিগুড়িতে তার প্রভাব পড়লে কিছুটা হলে স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগকের কারণে মন খারাপ পর্যটকদের। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে।
আগামী বুধবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইতে হতে পারে। পাশাপাশি দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে ঝড়বৃষ্টি চলবে। ইতিমধ্যে দার্জিলিং জেলা প্রশাসন ও কালিংপং প্রশাসন গাড়ি চালকদের সতর্ক করেছেন। কোনরকম দুর্ঘটনা বা অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সজাগ জেলা প্রশাসন। (Kalbaishaki)








