Site icon Hindustan News Point

Krishnagar News: তৃণমূলের মিছিলে যেতে অস্বীকার, যুবককে লোহার রড-উইকেট দিয়ে মারধরের অভিযোগ

Krishnagar News

কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী অভিনব ভট্টাচার্যের মনোনয়ন জমা দেওয়ার মিছিলে যোগ দিতে অস্বীকার করায় এক যুবককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে (Krishnagar News)। আহত যুবকের নাম বোধিসত্ত্ব ভট্টাচার্য। বাড়ি কৃষ্ণনগরের নেদেরপাড়া এলাকায়।

শুক্রবার রাতে নলুয়াপাড়া এলাকায় বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন বোধিসত্ত্ব। সেখানে স্থানীয় একটি ক্লাবের সামনে ৭-৮ জন তৃণমূল কর্মী তাঁকে মিছিলে যাওয়ার জন্য জোর করেন। যুবক তাতে যেতে রাজি না হওয়ায় তাঁকে লোহার রড ও উইকেট দিয়ে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। মারধরের ফলে তাঁর একটি আঙুল ও হাত ভেঙে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন তাঁর মা তুলিকা ভট্টাচার্য। এছাড়া গলার সোনার চেইন ছিঁড়ে নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ উঠেছে।

শঙ্খ-উলুধ্বনিতে স্বাগত, মিছিল করে মনোনয়ন জমা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

এই বিষয়ে হাসপাতালের বেডে শুয়ে বোধিসত্ত্ব বলেন, “আমি ৯ টার সময় ২০ টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলাম এবং তাঁদের সঙ্গে দেখা হয়। ক্লাবের সামনে দেখা হয়, অনেকদিন ক্লাবে যাইনি বলে ওরা আমাকে যাওয়ার কথা বলে। তাই আমি তাতে রাজি হই। যাওয়ার পরে আমায় ওরা মিছিলে ডাকে এবং আমি রাজি না হয়ে বেরিয়ে আসছিলাম তখন তারা ডেকে আমাকে মারধর করে। ওদের হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে আমাকে মারধর করে, পরে উইকেট দিয়েও মারা হয়। ক্লাবের কাছে রাত সাড়ে ১১টার সময়ে আমাকে মারধর করে।”

ঘটনার পর বন্ধুরা তাঁকে টোটো করে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন বোধিসত্ত্ব। তাঁর মা তুলিকা ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনেও অভিযোগ জানানো হবে। জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কৃষ্ণনগর শহর তৃণমূল যুব সভাপতি কৌশিক মজুমদার বলেন, “এরকম কোনও ঘটনার কথা আমার জানা নেই। যদি সত্যিই ঘটে থাকে, পুলিশ তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।” অন্যদিকে, বিজেপির মিডিয়া কনভেনার সন্দীপ মজুমদার অভিযোগ করে বলেন, “তৃণমূল ভয় পেয়ে মানুষকে জোর করে মিছিলে নিয়ে যাচ্ছে। যে যেতে চায় না, তাকেই মারধর করা হচ্ছে। পুলিশ দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করুক।”


Exit mobile version