Site icon Hindustan News Point

‘কমিশনের বৈঠক সম্পূর্ণ বেআইনি’, ঋতব্রতপন্থীদের খোঁচা কুণালের

Kunal Ghosh

তৃণমূলের আসল দাবিদার কারা? তহবিলের রাশই বা থাকবে কার হাতে? এই নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে দড়ি টানাটানি চলছেই। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়েরা। কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠকও করেন তাঁরা। ঋতব্রতদের এই পদক্ষেপকে কটাক্ষ করেছে কালীঘাট তৃণমূল। এই বৈঠককে ‘সার্কাস’ বলে কটাক্ষ করেন কুণাল ঘোষ। ‘কমিশনের আজকের বৈঠক সম্পূর্ণ বেআইনি’ বললেন কুণাল (Kunal Ghosh)।

কুণাল (Kunal Ghosh) বলেন, “দিল্লিতে একটা সার্কাস হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার দ্বারা স্পনর্সড। এরা তো তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ছিলেন। কমিশনে যাওয়ার আগে জানা উচিত তাদের সার্টিফায়েড করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। ফর্ম ‘এ’ আর ফর্ম ‘বি’ না থাকলে আপনারা তো বিধায়ক হতেন না। এগুলোকে লুকিয়ে ‘আমরা আসল’ বলে বড় বড় কথা বলছেন। বাড়িওয়ালার অনুমতিতে ভাড়াটিয়ারা থাকে। ভাড়াটিয়া তো আর আসল বাড়িওয়ালা নন। যে ১০ জন গেছেন তাদের বলার সুযোগ তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করে দিয়েছেন। আসলে এই সব ভাড়াটিয়ার পেছনে পাড়ার কোনও দাদা আছে। যে বলছে গিয়ে দখল করে নে। এখন এটাই চলছে। বিজেপির মদতপুষ্ট জ্ঞানেশ কুমার, অশুভ শক্তি হিসাবে এই বৈঠক করেছেন।”

তিনি আরও বলেন, “এরা নিজেদের মায়ের পিঠে ছুরি মারতে পারে। এরা বেইমান। আসলে সব দিল্লির খেলা। একজন খুনের মামলার আসামী। আর উনি বাঁচতে চাই বিজেপি তাই। যে সিপিএমে ছিল সে বলছে আসল তৃণমূল।”

তবে আগামী দিনে কি তৃণমূল দলটাই হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের? তৃণমূলের ‘ঘাসফুল’ প্রতীকও তাঁর হাত থেকে চলে যেতে পারে? তহবিলই বা কার দখলে থাকবে? এই প্রশ্নের উত্তরে বৃহস্পতিবার দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত বলেন, “কোনও রকম বিতর্কের কোনও প্রশ্নই নেই। দলের দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়ক আমাদের সঙ্গে। প্রাক্তন মন্ত্রীরা আমাদের সঙ্গে। কাউন্সিলররা আমাদের সঙ্গে, জেলা পরিষদের সদস্যরাও আমাদের সঙ্গে। আমরা প্রয়োজনীয় সমস্ত নথি কমিশনের কাছে জমা দিয়েছি। আশা রাখি, কমিশনের তরফ থেকে দ্রুত ডাক পাব।”

ঋতব্রতর এই প্রশ্নের উত্তরের পাল্টা জবাব দিলেন তৃণমূল মুখপাত্র তথা বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ, তিনি বলেন, “দল পরবর্তী বিষয়টি দেখছে। কতজন আছে সেটা তো বিষয় নয়। মুখ্যমন্ত্রীর আস্থা ভোট হয়। বিরোধী দলনেতার জন্য আস্থা ভোট হয় না। যারা প্রতীক চাইছে তারাই আবার অ্যাকাউন্ট চাইছে। দল কৌশলগত দিক দেখছে। মহারাষ্ট্রর মতো হবে কি না দল দেখছে। কমিশনের আজকের বৈঠক সম্পূর্ণ বেআইনি।”

পাশাপাশি প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর দেবরাজ চক্রবর্তীর গ্রেফতার প্রসঙ্গেও মুখ খুললেন কুণাল। তিনি বলেন, “জাহাঙ্গির-সুমিত-দেবরাজ এরা সব এক। এলাকা ভিত্তিতে কালচার শুরু হয়েছিল, সেটা ঠিক হয়নি। জাহাঙ্গির ছিল তালপাতার সেপাই। সুমিত ওরে বাবা, কিছু তো বলা যাবে না…..দেবরাজ এমনিতে শান্ত ছেলে। ওর স্ত্রী আবার কুঞ্জ সাজাতে বলছিল, যাই হোক সম্পত্তি নিয়ে আমরা আবার বলতে পারব না ওনার।”

আরও পড়ুন: পেনাল্টি নিতে অস্বীকার জার্মানির ৪ ফুটবলারের, দেশের থেকে স্বার্থ আগে? শুরু বিতর্ক


Exit mobile version