Site icon Hindustan News Point

LPG Gas Crisis: যুদ্ধের ধাক্কা কলকাতার ময়দানে, গ্যাসের অভাবে বন্ধ মাঠের ক্যান্টিন!

LPG Gas Crisis

রান্নার গ্যাসের জোগান নিয়ে আতঙ্কের আবহ। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁগুলির ভবিষ্যৎ প্রশ্নের মুখে।বহু জায়গায় মেনুতে কাটছাঁট করা হয়েছে। যুদ্ধের ধাক্কা লেগেছে কলকাতার ময়দানের ক্যান্টিনগুলিতেও। একে একে বন্ধ হতে বসেছে কলকাতা ময়দানের ক্যান্টিন (LPG Gas Crisis)। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল ও সিএবি ক্যান্টিনে তালা পড়ার মতো পরিস্থিতি।
মোহনবাগান ক্যান্টিনের কর্ণধার পলাশ কুমার মুখোপাধ্যায়, ইস্টবেঙ্গল ক্যান্টিনের কর্ণধার তমাল মিত্র ও সিএবি ক্যান্টিনের মালিক শক্তি রায়ের প্রায় একই মত। প্রতিদিন প্রচুর সংখ্যক খেলোয়াড়, সাপোর্টার, স্টাফ, কোচ, ফিটনেস ট্রেনার, মালি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ ক্যান্টিনে নিয়মিত খাওয়া দাওয়া করেন। জ্বালানির অভাবে অবস্থা এমন, কোনও ব্যবস্থা না হলে দুই তিন দিনের মধ্যে বন্ধ করে দিতে হবে এই ক্যান্টিনগুলো। ফলে সমস্যায় পড়তে হবে খেতে আসা মানুষদের।

ক্যান্টিন বন্ধ হয়ে গেলে কর্মীদেরও কাজ থাকবে না। মোহনবাগান ক্যান্টিনের পলাশ কুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘আমাদের কাছে যা জ্বালানি আছে তা দিয়ে কিছুদিন চালাতে পারব। যারা গ্যাস দেন তারা প্রায় দ্বিগুণ দাম চাইছে। ১৪০০ টাকা দিয়ে যে গ্যাস আগে কিনতে হত, সেই গ্যাসের দাম পৌঁছে গিয়েছে ২৮০০ টাকায়। এরপরে তা আরও বাড়বে। এভাবে চললে বন্ধ করতে বাধ্য হব। ৬০০০ টাকা দিয়ে গ্যাস কিনে তো আমরা পারব না। এখন লাভ দেখার ব্যাপার নেই। যারা নিয়মিত খান তাদের কথা ভাবতে হবে।’

ইস্টবেঙ্গল ক্যান্টিনের (LPG Gas Crisis) তমাল মিত্র বলেন, ‘অবস্থা খুব খারাপ। সিলিন্ডারের দাম যেভাবে বেড়েছে, তাতে কী হবে জানি না। হাতে মাত্র একটা গ্যাস । দুই দিন পরে গ্যাস আসার কথা। শেষ কিনেছি তা পেতে ২৪০০ টাকা দিতে হয়েছে। এরপর যে গ্যাসটা আসবে তার দাম হবে ২৮০০।’ পাশাপাশি গ্যাসের কালোবাজারির অভিযোগও করেছেন তিনি। বলেন, কে বা কারা করছে জানি না। তবে বেশি দাম দিয়ে তো কিনতে হচ্ছে।’ এভাবে চলতে থাকলে আর চারদিনের বেশি ক্যান্টিন চালানো যাবে না।


Exit mobile version