---Advertisement---

Madhyamik 2026: বাঁকুড়ায় নেই পদক্ষেপ, উত্তরবঙ্গে বিশেষ উদ্যোগ, মাধ্যমিকে হাতি করিডর নিয়ে দুই ভিন্ন ছবি

February 2, 2026 11:43 AM
madhyamik 2026
---Advertisement---

জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষাকে সামনে রেখে আতঙ্ক ও স্বস্তি—দু’রকম ছবি ধরা পড়ল রাজ্যের দুই প্রান্তে। একদিকে বাঁকুড়া, অন্যদিকে উত্তরবঙ্গ। জঙ্গলঘেরা এলাকায় হাতির উপদ্রবের মধ্যেই সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। তবে পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে দুই জায়গায় সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে।

বাঁকুড়ার কালপাইনি-সহ একাধিক জঙ্গলঘেরা গ্রামের পরীক্ষার্থীদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপদে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছনো। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এ বছর প্রথমবার বন দপ্তরের তরফে পরীক্ষার্থীদের জন্য কোনও বিশেষ গাড়ি বা নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়নি। অথচ প্রতি বছর জঙ্গলপথে বনকর্মী ও হুলা পার্টি মোতায়েন করে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হতো। বর্তমানে বাঁকুড়ার বিভিন্ন জঙ্গলে প্রায় ৩৩টি হাতির দল ঘোরাফেরা করছে। খাবারের খোঁজে লোকালয়ে ঢুকে পড়ায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে। ফলে পরীক্ষার্থীদের নিজেদের উদ্যোগেই ৩–৪ কিলোমিটার জঙ্গলপথ পেরিয়ে কেন্দ্রে যেতে হচ্ছে। এতে অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা চরমে। যদিও স্থানীয় বিধায়কের দাবি, জেলা প্রশাসন সমস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা করেছে এবং কোথাও সমস্যা হলে তা বিচ্ছিন্ন ঘটনা।

দক্ষিণ কলকাতার পঞ্চাননতলায় গুলি, গ্রেফতার ১০

এর সম্পূর্ণ উল্টো ছবি উত্তরবঙ্গে। জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং জেলার জঙ্গলঘেঁষা এলাকায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য আগে থেকেই তৎপর বন দপ্তর। বাগডোগরা, নকশালবাড়ি ও খড়িবাড়ির জঙ্গল সংলগ্ন এলাকায় পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে দিতে বন দপ্তরের বিশেষ গাড়ি ও রাজ্য সরকারের বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কার্শিয়াং ডিভিশনে বর্তমানে প্রায় ৩০টি হাতি থাকায় বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় বনকর্মী মোতায়েন, হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। ফলে শতাধিক পরীক্ষার্থী নিরাপদে কেন্দ্রে পৌঁছতে পেরে স্বস্তিতে।

তবে বাঁকুড়ায় বনদফতরের পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন থাকছে। গত ২০২৩ সালে জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জে হাতির হানায় মৃত্যু হয়েছিল মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে যাওয়া অর্জুন দাসের। রাজগঞ্জের পাঁচিরাম নাহাটা স্কুলের ছাত্র অর্জুনের সিট পড়েছিল বেলাকোবা কেবলপাড়া হাইস্কুলে। সময় বাঁচাতে ফরেস্ট রোড ধরে মোটরবাইকে যাচ্ছিল বাবা ও ছেলে। কুয়াশার কারণে হাতির সামনে পড়ে যায় তারা। বাবা প্রাণে বাঁচলেও ছেলেকে শুঁড়ে পেঁচিয়ে আছড়ে মারে দাঁতাল। জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। তার পরেও এই ছবি? প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment