Site icon Hindustan News Point

Mahua Moitra: দেউলিয়া কৃষ্ণনগর পৌরসভা, ২৫০ জন কর্মী ছাঁটাই নিয়ে সাফাই সাংসদ মহুয়া মৈত্রের

Mahua Moitra

আর্থিক সংকটের কারণ দেখিয়ে কৃষ্ণনগর পৌরসভার ২৫০ জন অস্থায়ী কর্মীকে ছাঁটাই করা নিয়ে এখন তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা। গত ৩১ ডিসেম্বর আচমকা এক নির্দেশে এই বিপুল সংখ্যক কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়। যার পর কৃষ্ণনগরের হাড়কাঁপানো শীত উপেক্ষা করে পৌরসভার সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন চাকরিহারার। এই পরিস্থিতিতে কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra) মুখ খুলেছে। যা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

সাম্প্রতি মহুয়া মৈত্র চাকরি নিয়ে মন্তব্য করেন। যাতে বিতর্কের আগুনে ঘি ঢেলেছে। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, পৌরসভা কার্যত ‘দেউলিয়া’, তাই এই ছাঁটাই ছিল ‘অনিবার্য’। এর পর রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, একটি নির্বাচিত বোর্ড পরিচালিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কীভাবে দেউলিয়া হওয়ার পর্যায়ে পৌঁছল? দীর্ঘদিনের অনিয়মিত নিয়োগ এবং আর্থিক পরিকল্পনার অভাবই কি আজ সাধারণ কর্মীদের জীবনকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিল?

​সাংসদ পরিসংখ্যান দিয়ে জানিয়েছেন, প্রতি মাসে ১.৩৬ কোটি টাকা বেতন বাবদ খরচ হচ্ছিল, যার মধ্যে বড় অংশই যেত অনুমোদনহীন কর্মীদের পকেটে। যদি এই নিয়োগগুলি নিয়মবহির্ভূত বা ‘অনুমোদনহীন’ হয়ে থাকে, তবে এতদিন কেন তাঁদের রাখা হয়েছিল এবং কাদের প্রশ্রয়ে এই বিশাল আর্থিক বোঝা তৈরি হলো, সেই প্রশ্নটি এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। অন্যদিকে, ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের দাবি, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে পরিষেবা দিয়ে এসেছেন এবং তাঁদের নিয়োগের পিছনে ছিল রাজনৈতিক সদিচ্ছা। এখন বোর্ড ভেঙে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে আসতেই কি সেই দায় ঝেড়ে ফেলা হচ্ছে? ৬৫ লক্ষ টাকা সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ২৫০টি পরিবারের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ঠেলে দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত কি একমাত্র পথ ছিল, নাকি বিকল্প আয়ের উৎস সন্ধানে প্রশাসনের কোনো সদিচ্ছার অভাব রয়ে গেল? এই প্রশ্নগুলোই এখন কৃষ্ণনগরের সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ফিরছে।

Exit mobile version