রাজ্যে বিধানসভা ভোট। উত্তরবঙ্গ থেকে প্রচার শুরু করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamta Banerjee )। চতুর্থ বারের জন্য ক্ষমতায় আসতে উন্নয়নকেই হাতিয়ার করেছেন তিনি। এদিন প্রায় তাঁর ২৫ মিনিটের বক্তব্যে মুখ্যমন্ত্রী যেমন রাজ্যের বিভিন্ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন পাশাপাশি বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেও সরব হন। অন্যদিকে গত কয়েকদিনের একটানা অকাল বৃষ্টিতে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন আলু চাষীরা। বৃষ্টির কারণে যে আলু চাষীদের ক্ষতি হয়েছে তাদের বিমার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। মমতা জানান, শস্যবিমা করা থাকায় কৃষকরা দ্রুত ক্ষতিপূরণ পাবেন। তিনি স্পষ্ট করেন, মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য তিনি রাস্তা থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত লড়াই করেছেন এবং করবেন। ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী ((Mamta Banerjee )। রঞ্জন শীল শর্মার সমর্থনে আয়োজিত এই সভায় মমতা বুঝিয়ে দিলেন, আসন্ন নির্বাচনে তাঁর প্রধান হাতিয়ার মানুষের আশীর্বাদ।
বক্তব্যের শুরুতে ময়নাগুড়ির জন্য যা যা করা হয়েছে তা তুলে ধরেন। এরপর নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে তিনি বলেন,”মধ্যরাতে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। সংবিধান মানা হচ্ছে না, ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।”
বিজেপিকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “যতদিন বেঁচে আছি এনআরসি করে ডিটেনশন ক্যাম্প করতে দেব না।” বিজেপি এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করে আরও বলেন, “বাড়িতে পাকা ঘর, স্কুটি, টিভি থাকলেই কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান সহ কোনও সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায় না। আর আমরা সবাইকে লক্ষ্মীর ভান্ডার দিই। যতদিন বাঁচবেন ততদিন লক্ষ্মীর ভান্ডার পাবেন।”
তিনি আরও বলেন, “চা বাগানে পাট্টা, রেশন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সবকিছুর সুবিধা রাজ্য সরকার দিচ্ছে। আমাদের স্বাস্থ্যসাথী সবার জন্য আর তা রাজ্য সরকারের টাকায় দেওয়া হয়।” বিজেপিকে আক্রমণ করে তিনি আরও বলেন, “ওরা মানুষের জীবন কাড়ে, আমরা জীবন গড়ে দিই। এখন গ্যাসের জন্য মানুষকে লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। কারণ গ্যাস বেলুনের গ্যাস বেরিয়ে গিয়েছে। এর আগে নোটবন্দির সময় মানুষকে লাইনে দাঁড়াতে হয়েছিল। এক হাজার টাকা খরচ করে আধার কার্ড বানিয়ে এখন ওরা বলে আধার কার্ড ভোটাধিকার নয়।”

