বেলডাঙা কাণ্ডে এবার গ্রেফতার AIMIM নেতা। ধৃত নেতার নাম মতিউর রহমান। উসকানি ও জনতাকে ক্ষেপিয়ে অশান্তি পাকানোর মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ওই মিম নেতার বিরুদ্ধে। তাঁকে বেলডাঙায় হওয়া অশান্তির মূলচক্রী হিসাবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। ঘটনায় এ পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হায়দরাবাদে সংখ্যালঘুদের রাজনৈতিক দল মিম। ওই দলের শাখা রয়েছে বাংলায়। সেই দলের বেলডাঙা ১ ব্লকের সভাপতি মতিউর।
পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনায়, বেলডাঙায় জাতীয় সড়ক অবরোধ-বিক্ষোভ স্টেশনে
ঝাড়খণ্ডে এক বাংলার পরিযায়ী শ্রমিককে হত্যার প্রতিবাদে ২ দিন ধরে বেলডাঙায় অশান্ত হয়ে ওঠে। ইতিমধ্যেই তদন্ত নেমে ধরপাকোর শুরু করছে পুলিশ। শনিবার নতুন করে বেলডাঙায় অশান্তি ছড়ানোর ঘটনায় মতিউরকে নেতৃত্ব প্রদানকারী হিসাবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। দাগিয়েছে কার্যত মূলচক্রী বলে। শনিবার বড়ুয়া মোড় থেকেই গ্রেফতার করা হয় মতিউরকে। সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর, মারধরের অভিযোগে মতিউরের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। শুক্রবার এবং শনিবার যে যে জায়গায় বিক্ষোভ হিংসাত্মক আকার নিয়েছে, ঠিক সেই সেই জায়গাতেই মতিউরের হদিশ পেয়েছে পুলিশ। সব মিলিয়ে মিমের যুক্ত থাকা খুব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এটা প্রথম নয়, এর আগেও একাধিকবার নানা হিংসার ঘটনায় এই মিম নেতার নাম জড়িয়েছে। এবার নয়া সংযোজন, বেলডাঙার তাণ্ডব। শনিবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজকে। তিনি জানিয়েছিলেন, আপাতত কোনও ব্যাক্তির রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে বলে জানা যায়নি। কিন্তু জানার চেষ্টা চলছে।

