Site icon Hindustan News Point

‘বিশ্বাস-ব্রাদার্স’ ছাড়াই সুরুচি সংঘের খুঁটি পুজো, কী বললেন বিধায়ক সৌরভ শিকদার?

suruchi sangha

রাজ্যে পালাবদলের ছোঁয়া এবার দুর্গাপুজোতেও। ‘বিশ্বাস-ব্রাদার্স’ তথা অরূপ বিশ্বাস ও তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাস ছাড়াই হলো দক্ষিণ কলকাতার সুরুচি সংঘের খুঁটি পুজো। আজ রথযাত্রার দিন সুরুচি সংঘের খুঁটি পুজো হলো। উপস্থিত ছিলেন, নতুন কমিটির সম্পাদক স্থানীয় বাসিন্দা তথা দমদম উত্তরের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদার। তৃণমূলকে বিঁধে বিধায়ক বলেন, ‘আগে VIP কালচার ছিল, এখন সর্বজনীন’। দীর্ঘ বছর ধরে ‘বিশ্বাস-ব্রাদার্স’-ই ছিল পুজোর প্রধান উদ্যোক্তা। রাজ্যে পালাবদলের সঙ্গে প্রধান উদ্যোক্তারও পালা বদল ঘটলো (suruchi sangha)।

রথযাত্রার পবিত্র তিথিকে সামনে রেখে শুরু হয়ে গেল দক্ষিণ কলকাতার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী সুরুচি সংঘের দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে খুঁটি পুজো সম্পন্ন হয় (suruchi sangha)।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিধায়ক সৌরভ সিকদার বলেন, “দুর্গাপুজো শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি বাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং সম্প্রীতির প্রতীক। প্রতিবছরের মতো এবারও সুরুচি সংঘ দর্শনার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় ও নান্দনিক পুজো উপহার দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে। তিনি সকলের সহযোগিতা ও আশীর্বাদ কামনা করেন, যাতে নির্বিঘ্নে এবং সাফল্যের সঙ্গে এবারের পুজো সম্পন্ন করা যায়।”

তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তিনি আরও বলেন, “আগে ভিআইপি কালচার ছিল। এখন সেটা বদলে গেছে। এবার সকলে এই পুজো দেখতে পারবেন। এই পুজো পাড়ার লোকেরা করবে। নিউ আলিপুরবাসীরা করবে”

ক্লাব সূত্রে খবর, ৭৫ বছরে পড়ল এই পুজো। ফলে এই পুজো ঘিরে বিশেষ আকর্ষণ রয়েছে সাধারণ মানুষের মনে। রথযাত্রার দিন খুঁটিপুজোর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে মণ্ডপ নির্মাণ ও পুজোর প্রস্তুতির কাজ শুরু হলো। আগামী কয়েক মাস ধরে চলবে মণ্ডপ নির্মাণ, প্রতিমা তৈরির কাজ। পাশাপাশি আলোকসজ্জা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিকল্পনা রয়েছে।

সুরুচি সংঘ দীর্ঘদিন ধরেই তাদের অভিনব থিম, শৈল্পিক মণ্ডপ এবং সামাজিক বার্তাভিত্তিক উপস্থাপনার জন্য রাজ্য ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিশেষ পরিচিত। প্রতি বছর হাজার হাজার দর্শনার্থীর সমাগম হয় এই পুজো মণ্ডপে। এবছরও সেই ঐতিহ্য বজায় রেখে নতুন চমক দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে উদ্যোক্তারা।

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে হ্যারি কেনকে ‘বরফবন্দি’ আর্জেন্তিনা সমর্থকদের, জয়ের আশায় ‘কাবালা’তে ভরসা


Exit mobile version