Site icon Hindustan News Point

ঋতব্রতই বিরোধী দলনেতা, স্থগিতাদেশে ‘না’ হাইকোর্টের; বহাল স্পিকারের সিদ্ধান্ত

Ritabrata Banerjee

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে (Ritabrata Banerjee) ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বীকৃতি আপাতত বহাল থাকল। স্পিকারের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করার মতো কোনও আইনগত কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে জানিয়ে (Ritabrata Banerjee) ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্তে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিতে অস্বীকার করল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। মূল মামলা বহাল রেখে সব পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা পদকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী ও মমতা-অনুগামী শিবিরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছিল। সেই প্রেক্ষিতেই স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু (Ritabrata Banerjee) ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন। স্পিকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় মমতা-সমর্থক শিবির। মামলায় স্পিকারের নির্দেশের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার শুনানির পর আদালত জানিয়ে দেয়, স্পিকারের সিদ্ধান্তে এই মুহূর্তে হস্তক্ষেপ করার কোনও যথেষ্ট আইনগত ভিত্তি আদালতের সামনে উঠে আসেনি। ফলে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের আবেদন খারিজ করা হয়। একইসঙ্গে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্দেশ দেন, আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে স্পিকার ও (Ritabrata Banerjee) ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে হলফনামা দিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে। এরপর দু’সপ্তাহের মধ্যে মামলাকারীরা পাল্টা হলফনামা জমা দিতে পারবেন। আগামী ২৮ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

সূত্রের দাবি, প্রথম পর্যায়ে (Ritabrata Banerjee) ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ৫৮ জন বিধায়কের স্বাক্ষর-সম্বলিত একটি প্রস্তাব স্পিকারের কাছে জমা পড়ে। পরে একাধিক বিধায়ক পৃথকভাবে চিঠি দিয়ে তাঁর প্রতি সমর্থন জানান। ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে বর্তমানে বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে ৬৫ জন রয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। সেই সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতেই স্পিকার বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেন বলে জানা গিয়েছে।

আদালতের নির্দেশকে বিদ্রোহী শিবিরের বড় সাফল্য হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন বিধায়ক সন্দীপন সাহা। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, যে অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে তাঁদের আন্দোলন শুরু হয়েছিল, আদালতের এই পর্যবেক্ষণ সেই অবস্থানকেই নৈতিক সমর্থন দিয়েছে। তাঁর দাবি, বিধানসভার বিধি ও আইন মেনেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করা হয়েছিল এবং স্পিকারের অনুমোদনের পর হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্ত সেই প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করল।

ফলে আপাতত বিরোধী দলনেতার আসনে (Ritabrata Banerjee) ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থান অটুট থাকলেও, আগামী ২৮ জুলাইয়ের শুনানির দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের। কারণ, মামলার চূড়ান্ত রায়ই নির্ধারণ করবে বিধানসভার বিরোধী রাজনীতির ভবিষ্যৎ সমীকরণ।

অভিষেকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের


Exit mobile version