গভীর রাতে খাস কলকাতায় চলল গুলি। পাটুলি থানার অন্তর্গত ফুলবাগান এলাকায় গভীর রাতে গুলির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক যুবকের। একই সঙ্গে গুরুতর জখম হয়েছেন আরও একজন। কিন্তু কেন হঠাৎ এমন ঘটনা, নেপথ্যে কোন রহস্য?
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে ফুলবাগানের বাসিন্দা জিৎ মুখোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে একটি অনুষ্ঠান ছিল। সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন রাহুল দে। রাত বাড়ার পরে বাড়ির ছাদে জিৎ এবং রাহুলসহ কয়েকজন যুবক মিলে আড্ডা দিতে বসেন। রাত প্রায় সাড়ে বারোটা নাগাদ হঠাৎই পরপর তিন রাউন্ড গুলির শব্দ শুনতে পান আশপাশের বাসিন্দারা। হঠাৎ গুলির শব্দে স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গুলি চলার পরই ছাদে উপস্থিত অন্যান্যরা সেখান থেকে পালিয়ে যান। তাঁদের মধ্যেই কেউ রাহুলের বাড়িতে খবরও দেন। খবর পেয়ে রাহুলের ভাই এবং মা তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছন। সেখানে গিয়ে তাঁরা দেখেন, রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে রয়েছেন রাহুল দে। কাছেই গুরুতর জখম অবস্থায় পড়ে ছিলেন জিৎ মুখোপাধ্যায়ও। (Shootout)
এরপর দুজনকেই দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে পৌঁছনোর পর চিকিৎসকেরা রাহুলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অন্যদিকে আহত জিৎ মুখোপাধ্যায়ের চিকিৎসা চলছে এবং তাঁর শারীরিক অবস্থার ওপর চিকিৎসকরা নজর রাখছেন। এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনার পরেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কারা গুলি চালাল, কেন শুধুমাত্র জিৎ এবং রাহুলকেই টার্গেট করা হল এবং এর পিছনে কী উদ্দেশ্য ছিল, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
Syndrela Das : বিশ্ব মহিলা টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশীপে ভারতীয় দলে বাংলার সিন্ড্রেলা
পুরো ঘটনার নেপথ্যের কারণ জানতে তদন্তকারীরা এলাকায় উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলছেন। জিৎ সুস্থ হয়ে উঠলে ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল সে বিষয়ে জানার চেষ্টা করবে পুলিশ। আপাতত ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন সূত্র সংগ্রহ করা হচ্ছে। (Shootout)

