আগ্নেয়াস্ত্র-সহ দুই দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে এই দুই দুষ্কৃতীকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঘুটিয়ারি শরিফ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ক্যানিং মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের নেতৃত্বে জীবনতলা থানার অন্তর্গত ঘুটিয়ারি শরিফ এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালায় ঘুটিয়ারি শরিফ ফাঁড়ির পুলিশ। তল্লাশি অভিযানে দুষ্কৃতীদের কাছ থেকে উদ্ধার দুটি ছোট বন্দুক ও চারটি কার্তুজ। কোথা থেকে এল আগ্নেয়াস্ত্র? খতিয়ে দেখছে ঘুটিয়ারি শরিফ ফাঁড়ির পুলিশ (Arms Recovered)।
উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে সন্দেশখালি ও হাবড়াতে। হাবড়ার একটি পুকুর থেকে উদ্ধার হয় ৪টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২৫ রাউন্ড গুলি। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, মাছ ধরতে গিয়ে একটি ব্যাগ খুঁজে পান তাঁরা। তার মধ্যে থেকেই উদ্ধার হয় এগুলি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হাবড়া থানার পুলিশ। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও কার্তুজ নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার পর পুকুরে ফের তল্লাশি চালানো হয়। তাতে উদ্ধার হয় আরও একটি ব্যাগ। সেখান থেকে উদ্ধার হয় আরও চারটি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি(Arms Recovered)।
দিন কয়েক আগে, শনিবার সন্দেশখালির মণিপুরে শাহজাহান শেখের ‘ঘনিষ্ঠ’ এবং স্থানীয় তৃণমূল নেতা রবীন দাস এবং তাঁর ভাই গোপাল দাসের বাড়িতে হানা দিয়েছিল এসটিএএফ। পুকুর থেকে উদ্ধার হয়েছিল প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র এবং গুলি। গ্রেফতার হন গোপাল-সহ মোট চার জন। ধৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে ফের ন্যাজাটের খড়িহাট গ্রামের ওই পুকুরটিতে গ্রামেরই দু’জনকে নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তাতে উদ্ধার হয় দু’টি বড় পলিথিনের প্যাকেট। সেই প্যাকেটটি খুলতেই চোখ কপালে ওঠে তদন্তকারীদের। তার ভিতর থেকে উদ্ধার হয়েছে কয়েক হাজার বন্দুকের তাজা গুলি এবং একাধিক অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র।
রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে তৎপর প্রশাসন। প্রশাসনিক নির্দেশে রাজ্য জুড়ে চলছে পুলিশি ধরপাকড়। উদ্ধার হচ্ছে একের পর এক আগ্নেয়াস্ত্র।

