Site icon Hindustan News Point

গরু কুরবানি দেওয়া নিয়ে বিধিনিষেধ, সরকারের নিন্দায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়

Sovandeb Chattopadhyay

হকার উচ্ছেদ, বিরোধী দলনেতার ঘর বরাদ্দ থেকে শুরু করে ব্রিগেডে নামাজ ও ঈদের ছুটি নিয়ে সংখ্যালঘু সমাজের অসন্তোষ — একাধিক রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যুতে মুখ খুললেন তৃণমূলের টিকিটে জেতা বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (Sovandeb Chattopadhyay)। আজ বিধানসভায় এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি একাধিক বিষয়ে কথা বলেন।

বিরোধী রাজনীতির ভূমিকা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, অতীতে বিরোধী দল শুধু মহাপুরুষদের জন্মদিন বয়কট করেনি, বিধানসভার স্পিকারের ঘরও বয়কট করত। তাঁর দাবি, সেই সময় বিরোধী পক্ষ বিভিন্ন বৈঠক ও আলোচনায় অংশ নিত না এবং সরকারের সঙ্গে সহযোগিতার পরিবেশও তৈরি করেনি।

(Sovandeb Chattopadhyay) তিনি বলেন, “একটা কমিটি ছিল, সেখানে তিনজন সদস্য ছিলেন। আমি ছিলাম, মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন। কিন্তু বিরোধী নেতার তরফে কোনওদিন সহযোগিতা করতে আসার ঘটনা ঘটেনি।”

পুরসভার প্রতিনিধিদের বৈঠকে ডাকলেন মমতা, দলনেত্রী কী বার্তা অপেক্ষা করছে সোমবারের বৈঠকে ?

একইসঙ্গে বিধানসভাকে “গণতন্ত্রের মন্দির” বলে উল্লেখ করে তাঁর বক্তব্য, এই প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় এমন কোনো আচরণ রাজনৈতিক দলগুলির করা উচিত নয়। (Sovandeb Chattopadhyay) তাঁর কথায়, রাজনৈতিক মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু গণতান্ত্রিক কাঠামোকে সম্মান জানানো সবার দায়িত্ব।

হাকার উচ্ছেদ, ঈদের ছুটি কমানো এবং কুরবানি নিয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘অসন্তোষ শুধু ছুটির সংখ্যা নিয়েই নয়, কুরবানি সংক্রান্ত বিধিনিষেধ নিয়েও রয়েছে।’ (Sovandeb Chattopadhyay) তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পশুর বয়সসীমা নিয়ে আপত্তি উঠেছে কারণ বেশি বয়সে পশুর স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দিতে পারে। যারা জবাই করত তারা সুস্থ গরুকে ব্যবহার করত এতদিন। যদিও তিনি জানান, পরিস্থিতি শান্ত রাখতে মুসলিম সম্প্রদায়ের বহু ধর্মীয় নেতা আপাতত গরুর পরিবর্তে ছাগল ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন। এছাড়াও তিনি জানান, তাঁদের মানসিক প্রস্তুতির সময় পর্যন্তও দেওয়া হয়নি।

রেড রোডের পরিবর্তে ব্রিগেড ময়দানে নামাজ নিয়ে বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘খোলা মাঠে আবহাওয়ার সমস্যা বড় বিষয় হতে পারে। নামাজের নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে, বৃষ্টির মতো পরিস্থিতিতে সমস্যা তৈরি হওয়ায় অতীতে রাস্তায় নামাজ পড়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছিল। অর্থাৎ এতদিন ধরে যে অভ্যাস চলে আসছে সেটা বাদ দিয়ে দেওয়ার যে এক নতুন প্রবণতা দেখা দিয়েছে, এটা কিন্তু মানতে গেলে পরবর্তীকালে অন্যান্য বহু ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে হয়রানির সম্মুখীন হতে হবে।’

শেষে তিনি (Sovandeb Chattopadhyay) প্রশ্ন তোলেন, ‘রাস্তায় কালীপুজো, দুর্গাপুজো বা সরস্বতী পুজোর মতো অন্যান্য পুজো হয় তাহলে এগুলোর কি হবে?’

সরকারি বাসে মহিলাদের বিনামূল্যে ভ্রমণ, শেষবেলায় নতুন নির্দেশিকা জারি করল সরকার


Exit mobile version