Site icon Hindustan News Point

Suvendu Adhikari: আলু চাষিদের জন্য সুখবর মুখ্যমন্ত্রীর, সীমান্তে হয়রানি বন্ধে তৎপর সরকার

Suvendu Adhikari

রাজ্যের আলু চাষিদের ভিন রাজ্যে আলু পাঠানো নিয়ে দীর্ঘদিনের সমস্যাকে কেন্দ্র করে এবার সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে তাঁর স্পষ্টবার্তা, আন্তঃরাজ্য সীমান্তে কৃষকদের হয়রানি কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ থেকে কৃষিজ পণ্য বাইরে পাঠানোর উপর যে নিষেধাজ্ঞা আগের সরকার জারি করেছিল, সেটিও তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানালেন তিনি।

উল্লেখ্য, অতীতে তৃণমূল সরকারের সময় রাজ্যের আলু চাষিরা বারবার অভিযোগ করেন অন্য রাজ্যে কৃষিজ পণ্য নিয়ে যেতে গিয়ে একাধিক সীমান্ত চেকপোস্টে তাঁদের সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। আলুভর্তি গাড়ি আটকে দেওয়া থেকে শুরু করে অযথা জিজ্ঞাসাবাদ—সব মিলিয়ে ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন চাষিরা। তবে এই পরিস্থিতি নিয়ে তৎকালীন সরকার সে অর্থে কোনও উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেয়নি। এবার বঙ্গে বিজেপি সরকার আসতেই চাষিদের দুর্ভোগ কাটাতে তৎপর হলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। (Suvendu Adhikari)

তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। কোনও চাষিকে সীমান্তে দাঁড় করিয়ে হেনস্থা করা যাবে না। প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আন্তঃরাজ্য সীমান্তে যাতে কৃষকদের গাড়ি নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষিজ পণ্য পরিবহণ নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তা কাটাতেই পশ্চিমবঙ্গ থেকে কৃষিপণ্য বাইরে পাঠানোর উপর থাকা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে আলু সহ বিভিন্ন কৃষিজ পণ্য সহজেই অন্য রাজ্যে পাঠানো যাবে।

Lakshmir Bhandar: অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার থেকে বাতিল বহু নাম, কারা পাবেন না? জানিয়ে দিলেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এই সরকারকে মানুষ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে রাজ্যে এনেছেন। সেই সমস্ত প্রত্যাশা পূরণ করতেই এই উদ্যোগ।

মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তের পর প্রশাসনিক মহলের অনেকেই বলছেন, এই নির্দেশিকা কার্যকর হওয়ায় একদিকে যেমন আলু চাষিদের দুর্ভোগ কমবে, তেমনই বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় দাম নিয়ন্ত্রণেও সুবিধা হবে। কৃষকদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তে হয়রানি এবং পরিবহণ সমস্যার কারণে তাঁরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছিলেন। তবে মুখ্যমন্ত্রীর এই হস্তক্ষেপে এবার থেকে পরিস্থিতি উন্নত হবে বলেই মনে করছেন তারা। (Suvendu Adhikari)


Exit mobile version