পশ্চিমবঙ্গে দু’-দু’টি আসনে জয়ী হয়েছেন। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে দল। ফলপ্রকাশের পরের সকালেই রাজ্যবাসীকে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে শুভেচ্ছে জানালেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নতুন সরকারের কী কী লক্ষ্য তা ঘোষণা করলেন। সোমবার সন্ধ্যার বিজয় ভাষণেই তার আভাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এ বার শুভেন্দুও নতুন সরকারের লক্ষ্য জানিয়ে দিলেন রাজ্যবাসীকে।
সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টিকে বিপুল সমর্থন দেওয়ার জন্য ও যশস্বী প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজির নেতৃত্বে ভরসা রাখার জন্য আপনাদের প্রত্যেককে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। এই জয় প্রত্যেক দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রবাদীর জয়, প্রত্যেক বিজেপি কার্যকর্তার জয়। বিজেপির অঙ্গীকার এক উন্নত, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ পশ্চিমবঙ্গ। আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর। সকলকে সঙ্গে নিয়ে আমরা গড়ে তুলব একটি সুস্থ, সুন্দর ও উন্নত রাজ্য। রাজ্যবাসীর সেবা করাই হবে নতুন সরকারের প্রধান লক্ষ্য”।
তিনি আরও লেখেন, “বিধানসভা নির্বাচনের এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য নির্বাচন কমিশন, সরকারি কর্মচারী বৃন্দ, কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের জানাই বিশেষ কৃতজ্ঞতা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী জির নেতৃত্বে এক বিকশিত ও আত্মনির্ভর পশ্চিমবঙ্গ গড়ে তোলাই আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার”।
২০০-র বেশি আসনে জিতে ভোট ময়দানে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করেছে বিজেপি। এই জয়ের জন্য পশ্চিমবঙ্গবাসীকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।
বিজেপির নতুন সরকারের মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। কাউকে মুখ্যমন্ত্রী পদের ‘মুখ’ করে নির্বাচনী লড়াইয়েও নামেনি বিজেপি। ভোটের প্রচারপর্বে অমিত শাহের মুখে বার বার শোনা গিয়েছে, রাজ্যে বিজেপি সরকারের মু্খ্যমন্ত্রী হবেন পশ্চিমবঙ্গেরই ভূমিপুত্র। বিভিন্ন প্রচার সভা থেকে শাহ বুঝিয়ে দিয়েছেন, নতুন সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হবেন আদ্যোপান্ত বাঙালি। পশ্চিমবঙ্গে জন্মানো এবং বাংলা মাধ্যমের স্কুলে পড়াশোনা কাউকেই যে বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী করা হবে, তা-ও স্পষ্ট করেছেন শাহ।

