ডায়মন্ড হারবার এবং মগরাহাট পশ্চিম, এই দুই বিধানসভা কেন্দ্রের ১৫টি বুথে শনিবার পুনর্নির্বাচন (Tension in Falta) হলেও, সেই তালিকায় নাম নেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতার। আর সেই কারণেই পুনর্নির্বাচনের দাবিতে শনিবার পথে নামল ফলতার মানুষ। পথ অবরোধ ঘিরে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় ফলতার হাসিমনগরে।
গ্রামবাসীদের একাংশের অভিযোগ, বিজেপিতে ভোট দেওয়ার কারণে বাড়ি এসে এসে হুমকি দিচ্ছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় নাম জড়িয়েছে ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের।
গ্রামবাসীদের একাংশের অভিযোগ, ‘জাহাঙ্গির-ঘনিষ্ঠ’ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান ইসরাফিল সর্দারের নেতৃত্বে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সেই অভিযোগ তুলে শনিবার ১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীদের একাংশ। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে ‘জাহাঙ্গির-ঘনিষ্ঠ’ ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করতে হবে। আর ফলতায় পুনর্নির্বাচন করাতে হবে কমিশনকে। অনেকে আবার জাহাঙ্গিরের গ্রেফতারির দাবি তুলেছেন। ফলতার এই অশান্তি এবং বিজেপিকে ভোট দেওয়ার কারণে মারধরের ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।
দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন থেকেই ফলতা কেন্দ্রটি বারবার খবরের শিরোনামে এসেছে। ১৭০ এবং ১৮৯ নম্বর বুথের ইভিএমে ‘টেপ’ লাগানো-সহ একাধিক বুথে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। বিরোধীদের তরফে মোট ৩২টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়েছিল। এই ঘটনার পর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে নির্দেশ দেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সূত্রের খবর, বিশেষ পর্যবেক্ষক ফলতার ৩০টি বুথে পুনর্নির্বাচন করার প্রস্তাব পাঠিয়ে কমিশনের কাছে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন।
শোনা যাচ্ছে ফলতায় রিপোল হতে পারে গণনার আগের দিনও। রবিবারও পুনর্নিবাচন করাতে পারে কমশন। ফলতা নিয়ে গতকাল রিপোর্ট পাঠানো হলেও এখনও কোন সিদ্ধান্ত না হওয়ায় (Tension in Falta) শেষে এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারে কমিশন।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ফলতা নিয়ে একাধিক অসঙ্গতি উঠে এসেছে কমিশনের স্ক্রুটিনিতে।

