Site icon Hindustan News Point

TMC BJP Conflict: উত্তপ্ত উত্তর কলকাতা, শশী পাঁজার বাড়ি লক্ষ্য করে হামলা, আক্রান্ত মন্ত্রী

TMC BJP Conflict

প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সমাবেশের দিনেই ধুন্ধুমার চেহারা নিল উত্তর কলকাতার গিরিশ পার্ক। অভিযোগ, ব্রিগেডেমুখী একদল বিজেপি কর্মী তৃণমূল নেত্রীও রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ি লক্ষ্য করে চালায় ইটবৃষ্টি। আবার গেরুয়া শিবিরের পাল্টা দাবি, প্রথমে তৃণমূল কর্মীরাই তাদের ওপর হামলা করে। দুই পক্ষের সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। এই হাতাহাতি থামাতে গিয়ে ইটের আঘাতে জখম হয়েছেন বউবাজার থানার ওসি বাপ্পাদিত্য নস্কর। (TMC BJP Conflict)

শনিবার সকালে ব্রিগেডের উদ্দেশ্যে মিছিল করে যাচ্ছিলেন বিভিন্ন এলাকার বিজেপি কর্মীরা। উত্তেজনা সূত্রপাত হয় গিরিশ পার্কে মন্ত্রীর বাড়ির সামনে। তৃণমূলের অভিযোগ, ব্রিগেডগামী একদল বিজেপি কর্মী পরিকল্পিতভাবে মন্ত্রীর বাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছোড়ে। যার দরুন বাড়ির জানালার কাচ ভেঙে যায়। সদর দরজারও ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের। শশী পাঁজা আহত হয়েছে বলে দাবি করেছেন। (TMC BJP Conflict)

পাল্টা বিজেপির দাবি, তাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলের উপর আগে হামলা চালায় তৃণমূল কর্মীরা। অভিযোগ, মন্ত্রীর বাড়ির সামনে আগে থেকেই তৃণমূল কর্মীরা জড়ো হয়েছিলেন। সেখান থেকেই মিছিল লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়।

এই ঘটনায় বিজেপির উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ আহত হন। তাঁকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, সংঘর্ষের সময় দুই পক্ষই দেদার ইটবৃষ্টি করে। সংঘর্ষ তীব্র রূপ নিতে থাকলে হাতের বাইরে চলে যায় পরিস্থিতি।

মন্ত্রী শশী পাঁজার দাবি, গিরিশ পার্কে তাঁর বাড়ির আশপাশে ‘বয়কট বিজেপি’ লেখা কিছু পোস্টার লাগানো ছিল। ব্রিগেডে যাওয়ার পথে বিজেপি কর্মীরা বাস থেকে নেমে সেই পোস্টার ছিঁড়তে শুরু করেন। ঘটনাটির প্রতিবাদ করতে আসে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তারপরই দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

অন্যদিকে বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীরাই প্রথম তাদের বাস লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে। পুলিশ তখন ঘটনাস্থলে থাকলেও হামলা রুখতে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। (TMC BJP Conflict)

সংঘর্ষের জেরে চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউতে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


Exit mobile version