Site icon Hindustan News Point

সদর দফতর ছাড়ার নোটিশ বাড়ির মালিকের, নতুন সমস্যা তৃণমূল

TMC Head Office

পালাবদলের পর একের পর এক ধাক্কার মুখে পড়ছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার দলের অস্থায়ী সদর কার্যালয় ‘তৃণমূল ভবন’ খালি করার নোটিশ ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। কলকাতার এ/পি ক্যানাল সাউথ রোড, মেট্রোপলিটন সি এইচ এম লিমিটেড, কলকাতা-৭০০১০৫ এলাকায় অবস্থিত বর্তমান তৃণমূল ভবন আগামী দু’মাসের মধ্যে খালি করে দেওয়ার জন্য দলীয় নেতৃত্বকে আল্টিমেটাম দিয়েছেন বাড়ির মালিক তথা মডার্ন ডেকোরেটরের কর্ণধার মনোতোষ সাহা ওরফে মন্টু সাহা। (TMC Head Office)

২০২২ সালে তপসিয়ার পুরনো দলীয় সদর দফতর সংষ্কারের জন্য সেখান থেকে সরিয়ে এই ভবনে তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। প্রথমে দু’বছরের জন্য ভাড়ার চুক্তি হলেও পরে তা আরও দু’বছর বাড়ানো হয়। সম্প্রতি সেই চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় বাড়ি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন মালিক পক্ষ। মনোতোষ সাহার বক্তব্য, ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই তাঁর বাড়িতে হামলার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই তিনি আর রাজনৈতিক কার্যালয় রাখতে রাজি নন। তাঁর দাবি, আগামী দু’মাসের মধ্যে ভবন খালি করে দেওয়ার বিষয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব মৌখিক আশ্বাসও দিয়েছে। পাশাপাশি তিনি জানান, দলের পক্ষ থেকে বকেয়া ভাড়াও মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। (TMC Head Office)

এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের মুখপাত্র ও বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ জানান, ভবনটি স্থায়ী ভাড়ার ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছিল। এখন বাড়ির মালিক যদি তা ফেরত চান, তাহলে সেই বিষয়ে দলের অভ্যন্তরে আলোচনা হয়েছে বলেই তাঁর ধারণা। সূত্রের খবর, তপসিয়া রোডে তৃণমূলের পুরনো সদর কার্যালয়ের সংস্কারের কাজ প্রায় শেষ। পরিস্থিতি বুঝে দল আবার সেখানেই ফিরতে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলছে।

এরই মধ্যে শনিবার বেলেঘাটার ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডের মাঠপুকুর এলাকায় আরও এক নাটকীয় ঘটনা সামনে আসে। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের দখলে থাকা ব্যক্তি মালিকানাধীন একটি পার্টি অফিস নিজেই ভেঙে দখল নেন বাড়ির মালিক। স্থানীয় সূত্রের দাবি, রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক এলাকায় দলীয় কার্যালয় ঘিরে একই ধরনের টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরেও এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বলেই রাজনৈতিক মহলের মত। (TMC Head Office)

আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে বেআইনি নির্মাণ, ৪৫ দিনের মধ্যে ভাঙার নির্দেশ কলকাতা পুরসভার


Exit mobile version