Site icon Hindustan News Point

‘পুরোটাই প্রি-প্ল্যান, এতগুলো দফতর থাকার সময় অভিমান হয়নি?’ চন্দ্রিমাকে কটাক্ষ কুণালের

Kunal Ghosh

একে একে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছাড়ছেন তাঁর দীর্ঘদিনের সঙ্গীরা। এবার সেই দলেই নাম লেখালেন তাঁর দীর্ঘদিনের লড়াইয়ের সঙ্গী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইস্তফাপত্র পাঠালেন চন্দ্রিমা। মেট্রোপলিটনে তৃণমূল ভবন দখলের দড়ি টানাটানির মধ্যেই মমতা শিবির থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি। রাজ্য সভাপতির পদ ছাড়ার সময়ে তিনি জানান, কারও বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ তাঁর নেই। কিন্তু তাঁর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলেই তৃণমূলের রাজ্য সভাপতির পদ ছাড়ছেন। এরপরই চন্দ্রিমাকে আক্রমণ করতে ছাড়লেন না বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)।

কুণাল (Kunal Ghosh) বলেন, “আগেও ওঁর পরিবারের ঘনিষ্ঠ ওইদিকে গিয়েছেন, এগুলো দেখেছি। তা সত্ত্বেও ওঁকে শ্রদ্ধা করতাম, ভালবাসতাম। কিন্তু কাল যখন এরকম একটা ঘটনা ঘটল, তখন দলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। যদি আর কিছুক্ষণ বসে থাকতেন, আমরা পৌঁছে যেতাম। এমনকি, ওখানে কর্মীরাও অনুরোধ করেছিলেন দিদি আর কিছুক্ষণ বসে যান। তিনি বললেন আমি এসবে থাকব না। তারপরই গাড়ি ডেকে বেরিয়ে গেলেন। এটা তো প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে কাম্য নয়।”

তিনি আরও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখন অনেকগুলো মন্ত্রীর পদ পেয়েছিলেন। সেইসময় কেন মনে হয়নি। এত দফতর যখন হাতে ছিল, তখন কেন অভিমান হয় এখন একটাই কথা নাকি দুঃখ লাগছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, যখন দেওয়ার জায়গায় ছিলেন, তখন তিনি ঠিক নিয়েছেন, আর এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী পদে নেই, তাই দেওয়ারও কিছু নেই। তাই তাই তিনি অন্য শিবিরের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। পুরোটাই আগে থেকে প্ল্যান করা ছিল। বাংলার মানুষ এটা মেনে নেবে না।”

নাম-প্রতীকের দাবির পর তৃণমূলের সদর দফতর দখল ঋতব্রত শিবিরের

অন্যদিকে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের পাশাপাশি কুণাল কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বারাসত কেন্দ্রের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকেও। কুণাল বলেন, “কারা কোন দলে যোগ দিয়ে এসেছেন সেটা তাঁদের জ্ঞিজ্ঞাসা করে আসুন। যাঁরা বলছেন তাঁরা এনসিপিআই তে যোগ দিয়েছেন, আবার তাঁরাই চিঠি দিচ্ছেন তৃণমূলের চিপ হুইপ বলে। আগে পরিচয় ঠিক করতে হবে। এনসিপিআই নাকি তৃণমূলের হুইপ।”


Exit mobile version