তৃণমূলে ফের ধস, এবার বিক্ষুদ্ধ তৃণমূল সাংসদের একাংশ। সোমবার দুপুরে BJP সাংসদ ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই পৌঁছে যান তৃণমূলের ১০ জন লোকসভার সাংসদ। আগেই বিধানসভাতে ধস নেমেছিল। এবার ধস নামল লোকসভায়। তৃণমূলের ২০ জন সাংসদ মিলে ব্লক তৈরি করলেন। ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ যোগ দিতে চাইছেন কেন্দ্রে বিজেপির নেতৃত্বাধীন শাসকজোট এনডিএ-তে। লোকসভার স্পিকারের কাছে গিয়ে চিঠি দিয়ে জানান তাঁরা (Tmcs Rebel Mps)।
সূত্রের খবর, এই বিদ্রোহী সাংসদদের নেতৃত্বে রয়েছেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়। বিদ্রোহীরা সোমবার চিঠিও পাঠিয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে। সোমবার এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, হাওড়ার প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়, বোলপুরের সাংসদ অসিত মাল, মথুরাপুরের বাপি হালদার, মেদিনীপুরের সাংসদ জুন মালিয়া, কোচবিহারের জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া, ঝাড়গ্রামের কালীপদ সোরেন, বাঁকুড়ার অরূপ চক্রবর্তী, ব্যারাকপুরের পার্থ ভৌমিক এবং বর্ধমান পূর্বের সাংসদ শর্মিলা সরকার এবং রাজ্যসভা থেকে সদ্য পদত্যাগ করা সুখেন্দুশেখর রায়।
বাংলায় বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই বিক্ষুদ্ধদের আঁচে চূড়ান্ত ধস নামতে দেখা গেছে তৃণমূলে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ইতিমধ্যে ‘নব্য তৃণমূল’ তৈরি হয়েছে। এরপরেই দিল্লি দরবারে বেড়েছে উত্তেজনার পারদ। এইভাবে বিক্ষুদ্ধ তৃণমূল সাংসদদের এই বৈঠকে পরিস্থিতি ঘাসফুলকে আরও ভাবাচ্ছে।
অন্যদিকে, সোমবার দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বিরোধী জোটকে এককাট্টা করতে এবং বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে বৈঠকে বসেন সনিয়া-রাহুল-মমতারা। আর তার কিছু দূরেই বাংলার ইতিহাসে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের সলতে পাকাচ্ছে বিজেপি। এবার লোকসভাও হাতছাড়া হল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

