কলকাতা ও লাগোয়া অঞ্চলে সপ্তাহান্তে বা নতুন সপ্তাহের শুরুতেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পারদ ৩২ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১ ডিগ্রিতে পৌঁছে যাবে। ফলে ফেব্রুয়ারি মাসের শেষে গরমের ভ্রুকুটির ইঙ্গিত দক্ষিণবঙ্গের আবহে। উত্তরবঙ্গে শীতের ছোঁয়া ওপরের ৫ জেলায় রয়েছে। দার্জিলিংয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ এখনও এককের ঘরে। বাকি জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ থেকে ১২ মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। তবে আপাতত বিশেষ বদল না হলেও শীঘ্রই তাপমাত্রা সেখানেও বাড়তে থাকবে। ফের পারদ পতনের সম্ভাবনা আলিপুর আবহাওয়া দফতরের বিজ্ঞানীরা দিচ্ছেন না। ফেব্রুয়ারি মাসেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রার পারদ ৩০ ডিগ্রির ঘরে ঢুকে পড়তে চলেছে।
এই ছবি কি স্বাভাবিক? হাওয়া অফিসের আবহবিদ সৌরিশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদের এই উর্ধ্বমুখী হওয়ার মধ্যে কোনও অস্বাভাবিকতা নেই। বরং সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এখন স্বাভাবিকের কাছাকাছি রয়েছে। তারপরের বৃদ্ধিতে কোনও অস্বাভাবিকতা নেই। এই সময় পারদের অবস্থান এটাই থাকে। আপাতত শুষ্ক আবহাত্তয়া, বৃষ্টির কোনও ইঙ্গিত নেই। আগামী দুই থেকে তিনদিন তাপমাত্রার পরিবর্তন নেই। তারপর পারদ ২ থেকে ৩ ডিগ্রি চড়বে। সেক্ষেত্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলবে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির নিচে নামার কোনও সম্ভাবনা নেই। পারদের এই বৃদ্ধি চলবে। অর্থাৎ শীত এখন “শীতঘুমে”।
দুয়ারে গ্রীষ্মকালে সময়ের আগে শুরু হওয়ার ইঙ্গিত। এখন সকালে ঠান্ডার অতি হাল্কা রেশ রয়েছে। তবে দিনের বাকি সময় তার ছিটেফোঁটা নেই। কলকাতা ও তৎপ্বার্শবর্তী অঞ্চলে বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৩ ডিগ্রি নিচে ছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৪ ডিগ্রি ওপরে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বনিম্ন ৮৪ শতাংশ। সর্বোচ্চ ২৬ শতাংশ। আপেক্ষিক আর্দ্রতা কমে যাওয়াতে ত্বকে টান পড়ছে। আজ বৃহস্পতিবার দিনের আকাশ পরিষ্কার। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি এবং ১৭ ডিগ্রির আশপাশে থাকবে।

