জোড়া ঘূর্ণবর্তের ফলায় হালকা বৃষ্টি হলেও তা শীতের প্রত্যাবর্তনের বার্তা নয়। ধীরে ধীরে দিনের সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বাড়বে। তেমনই পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের। (Weather)
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হাবিবুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, শীত ফেরার সম্ভাবনা নেই। পয়লা মার্চ থেকে প্রাক মরসুমের আবহনী শুরু। আজ থেকে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় তাপমাত্রার বিশেষ পরিবর্তন নেই। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯ থেকে ২১ ডিগ্রির ঘরে ঘোরাফেরা করবে এবং সেই সঙ্গে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ থেকে ৩২ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করবে। মঙ্গলবার হালকা বৃষ্টি হওয়ায় পারদ নেমেছিল। মেঘলা আকাশ থাকায় দিনের তাপমাত্রা বাড়েনি। তবে আজ থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তাই পারদ চড়বে। (Weather)
কলকাতাতেও একই পরিস্থিতি। পারদ চড়তে শুরু করেছে। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মত বাড়বে। নভেম্বরের পর মঙ্গলবার বৃষ্টি হাওয়ায় শীতলতার পরিবেশ। কিন্তু হাওয়া অফিস বলছে, হালকা শীতল পরিবেশ আর নয়। এমনকি ভোরের কুয়াশাও কমবে। দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই পারদ চড়বে। উত্তরবঙ্গের ছবি দক্ষিণের তুলনায় সামান্য ফারাক। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়িতে বৃষ্টি হয়েছে। সিকিমের দিকে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সান্দাকাফুতে তুষারপাতের পূর্বাভাস। তবে আজকের পর থেকে এই শীতের পরিস্থিতি সেখানেও বদল হবে। উত্তরবঙ্গের সমতলেও পারদ চড়তে শুরু করেছে। সব মিলিয়ে দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় সামান্য দেরি হলেও উত্তরবঙ্গেও পারদ চড়বে। অর্থাৎ ক্যালেণ্ডার মেনে ঘোষণা করে বিদায় না হলেও শীতের বিদায় সম্পূর্ন। (Weather)
কলকাতা এবং লাগোয়া অঞ্চলে মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে শূন্য দশমিক তিন ডিগ্রি নিচে ছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ দশমিক সাত ডিগ্রি কম। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বনিম্ন ৫৭ শতাংশ। সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ।
আজ বুধবার, দিনের শুরুতে মেঘলা আকাশ। বেলা এবং বিকেলের দিকে পরিষ্কার আকাশ। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি এবং ১৯ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে। (Weather)

