রাজ্যজুড়ে শীতের আমেজ বজায় থাকলেও আবহাওয়ার মেজাজে আপাতত বড় কোনও আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত নেই। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা মোটের উপর একই স্তরে থিতু হয়ে থাকার সম্ভাবনা। দুই-একটি জেলা বাদ দিলে রাজ্যের অধিকাংশ প্রান্তেই পারদ স্বাভাবিকের কাছাকাছি ঘোরাফেরা করবে। হাড়কাঁপানো কনকনে ঠান্ডার নতুন করে এখনই আসার সম্ভাবনা দেখছেন না আবহাওয়াবিদরা। (Weather Report)
কলকাতার ক্ষেত্রে পারদ সামান্য নামতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে এই পরিবর্তনের প্রভাব খুব একটা জোরালো হবে না। মহানগরে ভোরের দিকে মনোরম শীতের অনুভূতি থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজ বাড়বে। আবহাওয়া দফতরের মতে, রাজ্যে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বাড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কোনও আশঙ্কা আপাতত নেই। (Weather Report)
অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে শীতের দাপট দক্ষিণের তুলনায় কিছুটা বেশিই থাকবে। আগামী কয়েক দিন হিমালয় সংলগ্ন জেলাগুলিতে কুয়াশার দাপট বাড়তে পারে বলে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ভোরের দিকে দৃশ্যমানতা অনেকটা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যার ফলে সড়ক ও রেল যান চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন ঘটতে পারে। (Weather Report)
মকর সংক্রান্তির আবহে গঙ্গাসাগরের আবহাওয়ার ওপর বিশেষ নজর রাখছে প্রশাসন। সাগরদ্বীপে আগত পুণ্যার্থীদের জন্য পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে যে, সেখানে ভোরের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে। সাগরতটে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। জলপথে উত্তুরে হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটারের আশেপাশে থাকতে পারে। তবে স্বস্তির খবর এই যে, এই মুহূর্তে সমুদ্রের জলস্তর অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ার কোনও আশঙ্কা নেই। একই সঙ্গে আগামী কয়েক দিন বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা না থাকায় গঙ্গাসাগর মেলা নির্বিঘ্নেই সুসম্পন্ন হবে বলে মনে করা হচ্ছে। (Weather Report)











